২৭, নভেম্বর, ২০২০, শুক্রবার | | ১১ রবিউস সানি ১৪৪২

জিরো রোবটিক্স নিয়ে ইউএসটিসি তে এমআইটি প্রফেসর ড. মিজানুল হক চৌধুরী

আপডেট: মার্চ ২, ২০১৯

জিরো রোবটিক্স নিয়ে ইউএসটিসি তে এমআইটি প্রফেসর ড. মিজানুল হক চৌধুরী

সাজ্জাদ হোছাইন (ইউএসটিসি): জিরো-রোবটিক্স, রোবট বিজ্ঞানের নতুন শাখা। রোবট তাও আবার জিরো! তাই বিস্ময়ের এক নতুন মাত্রা বিরাজ করছে সবার মাঝে। সকাল থেকেই দলে, দলে আসতে শুরু করলো ইউএসটিসি সহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়,কলেজ ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা, ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি চট্টগ্রাম এ। সবারই জানার আগ্রহ প্রকৌশল বিজ্ঞানের এই নতুন শাখা নিয়ে। মাওলানা ভাসানী অডিটোরিয়াম,ইউএসটিসি’র নির্দিষ্ট আসনগুলো পূরণ হতে সময় লাগল না মোটেও।

নির্ধারিত সময়ে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের মধ্যে দিয়েই অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করলেন প্রফেসর ড. শাহাদাত হোছাইন,ইউএসটিসি। তিনি ধারণা দিয়ে গেলেন, জিরো-রোবটিক্স হলো রোবট বিজ্ঞানের নতুন শাখা যা মহাশূন্যে কাজ করার জন্য রোবটিক সামগ্রী  প্রস্তুত করা হয়। পরে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর আলম বলে গেলেন, জিরো রোবটিক্স শুধুমাত্র যে ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীদের জন্য দরকারি তা নয় বরং এটি বায়োমেডিকেল সহ বিজ্ঞানের অনেক শাখায় ব্যবহার যোগ্য। তিনি বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নিজেকে প্রস্তুত করার আহ্বান জানান। তিনি বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের বিদেশে ডিগ্রি নিয়ে দেশে ফিরে দেশের জন্য কাজ করার অনুরোধ জানান।

জিরো-রোবটিক্স, বিষয়টি বিস্তারিত উপস্থাপনের জন্য সবার সামনে আসলেন অনুষ্ঠানেের মূল বক্তা, ম্যাসাচুসেট্‌স ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি)’র অধ্যাপক ড. মিজানুল হক চৌধুরী। তিনি জিরো রোবটিক্স নিয়ে আমেরিকায় গবেষণারত বাংলাদেশি।  তিনি বলেন যে, আমরা সাধারণত যে সব পণ্য বা যন্ত্র এই পৃথিবীতে ব্যবহার করি তা মহাশূন্যে অচল।কারণ সেখানে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূণ্য। তাই, সেই পরিবেশের জন্য আলাদা এবং সম্পূর্ণ অন্য ধরণের যন্ত্র প্রয়োজন। তাদের টিম সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে যেন তৈরীকৃত রোবটগুলো জিরো-গ্র্যাভিটিতে কাজ করতে পারে অনায়েসেই। তিনি এই নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেন। তিনি বিজ্ঞানের এই শাখায় বাংলাদেশ থেকে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।বাংলাদেশে কাজের ক্ষেত্রে চট্টগ্রামকেই প্রথম হিসেবে বেছে নিতে চান তিনি।  তিনি এমআইটিতে পড়ার জন্য আগ্রহী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন দিক নির্দেশনায় উল্লেখ করেন, শুধুমাত্র সিজিপিএ’র পেছনে না দৌঁড়ে জানার আগ্রহ নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি আরও বলেন, এমআইটির মত স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দক্ষতার উপর গুরুত্ব দেয় বেশি।তিনি শিক্ষার্থীদের সমাজের জন্য, বাংলাদেশের মানুষের জন্য কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তার কর্মশালা শেষ করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি চট্টগ্রাম এর বোর্ড অব ট্রাস্টির চেয়ারম্যান আহমেদ ইফতেখারুল ইসলাম,ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. নুরুল আবছার এবং ইউএসটিসি সব অনুষদের শিক্ষকবৃন্দ