আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২০

আপডেট:

মোঃ নাঈম শাহ্, নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন বলেছেন, কোন এলাকা বা অঞ্চল দেখে নয় দেশের সর্বত্র উন্নয়ন চলছে। উত্তরাঞ্চল বা দক্ষিনাঞ্চল বলে কোন কথা নাই। যে এলাকায় যা উন্নয়ন করলে দেশের মানুষের কল্যাণ হবে, সেখানে তাই করছে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের উন্নয়নের জন্য তিনি নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন।
শনিবার দুপুরে নীলফামারীর ডোমারে দেশের বৃহত্তম আঞ্চলিক বাঁশ গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ্ইসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব রুখতে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। আমরা দেশের ভু-খন্ডে ২৫ ভাগেরও বেশী জায়গায় গাছ লাগানোর জন্য কাজ করছি। আশাকরি দ্রুত তা হয়ে যাবে।
তিনি আরো বলেন, সারা দেশের বাঁশের চাহিদা পূরণ করে নীলফামারীর বাঁশ। তাই বাঁশ কেন্দ্রটি হওয়ায় আরো উন্নত বাঁশের জাত উদ্ভাবন করে এ এলাকায় বাঁশ চাষ আরো বেড়ে যাবে ঘুচবে বেকারত্ব। অর্থনৈতিকভাবে স্বাম্বলম্বী হবে এই অঞ্চলের মানুষ।
আঞ্চলিক বাঁশ গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট ,ডোমার কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব জিয়াউল হাসান এনডিসির সভাপতিত্বে নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকার, বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক শফিউল আলম চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব(পরিবেশ) মাহমুদ হাসান, অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) আহমদ শামীম আল রাজী, নীলফামারী জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা শবনম, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অধ্যাপক খায়রুল আলম বাবুল এ সময় বক্তব্য রাখেন।
ডোমার আঞ্চলিক বাঁশ গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রকল্প পরিচালক ড. রফিকুল হায়দার গবেষণা কেন্দ্রটির ফলে কিভাবে বদলে যাবে এলাকার চিত্র সেই বিষয়ের আলোকে বিভিন্ন দিক তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম এর বাস্তবায়নে পরিবেশ,বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রাণালয়ের অধীনে প্রায় ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নীলফামারীর ডোমার উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন দুই একর জমির উপর কেন্দ্রটি নির্মান করা হয়।
কেন্দ্রটিতে ল্যাবরেটরী স্থাপন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসহ একটি চারতলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এ কেন্দ্রে রংপুর বিভাগের ৫৮টি উপজেলার এক হাজার ৮ শত জনকে বাঁশের বিভিন্ন প্রযুক্তি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। সেই সাথে বাঁশের প্রযুক্তি বিষয়ক ১০টি প্রদর্শনী প্লট প্রকল্প এলাকায় স্থাপন করা ও বাঁশ চাষ ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবহারের উপর ১৯টি গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।