আপডেট: মার্চ ২৮, ২০১৯

আপডেট:

মহিদুল আলম চঞ্চল: গাজীপুরশতবর্ষী সাহেরার ভাগ্যে জুটেনী বয়স্ক ভাতা,বিধবা ভাতা।জীবনের শেষ বেলায় এসে ভিক্ষা করেই জীবন চলছে ১০০বছরের বৃদ্ধা মহিলা সাহেরা খাতুনের! বাপ মায়ের বড় আদরের মেয়ে ছিলেন তিনি। ভাগ্য বিরম্বনায় আজ তার এই অবস্থা। নিরুপায় হয়েই তাকে ভিক্ষার পথ বেছে নিতে হয়েছে।
গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার ২নং গাজীপুর ইউনিয়নের আজুগীচালা গ্রামের ডেঙ্গু ফকির বাড়ির আবুল হাশেমের বাড়ির বারান্দায় বসবাস করেন সাহেরা খাতুন।
সরকার অসহায় গরীব, বৃদ্ধদের জন্য বয়স্ক ভাতার ব্যবস্থা করলেও তা অন্য সবার ভাগ্যে ঝুটলেও এই সাহেরার ভাগ্যে নাই।
বিগত সময়ের গাজীপুর ইউনিয়নে যতো নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এসেছে সবার কাছে গিয়েই অনুনয় -বিনয় করে বলেছে তাকে যেন একটি বিধবা ও বয়স্ক ভাতার কার্ড প্রদান করে কিন্ত কোন জনপ্রতিনিধির দয়া বা অনুগ্রহ পায়নি। তার দুঃখ কষ্টের কথা বলে কারো মনে তার প্রতি একটু সহানুভূতি জাগ্রত করতে পারেনি!
সরকার, জনপ্রতিনিধি ও বিবেকবান মানুষের প্রতি অসহায় সাহেরা খাতুনের প্রশ্ন -আর কত বয়স হলে দরিদ্র ও বয়স্ক ভাতা পাওয়া যায়?
ভিক্ষা করতে গিয়ে গাড়ীতে দূর্ঘটনার শিকার সাহেরা,প্রানে বেচে গেলেও সে টাকার অভাবে চিকিৎসা করতে না পারায়,চামরার মধ্যে শুধু ঝুলে আছে হাতটি।
নিঃস্ব সহায় সম্বলহীন সাহেরা খাতুনের একটি হাত অচল,এক হাত এর উপর ভর করেই চলছে ভিক্ষা বৃত্তি।মানবতা যেখানে মুখ থুবরে পড়েছে,সেখানে একটু আশা জীবনের শেষটা যেনো একটু সস্তির হয়,এই আকুতি সাহেরা খাতুনের।