আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০১৯

আপডেট:

আব্বাস আলী, কামারখন্দ(সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ কামারখন্দ উপজেলার বড়কুড়া গ্রামে মামলার ভয় দেখিয়ে অসহায় এক পরিবারের কাছ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী বড়কুরা গ্রামে আব্দুল জলিল এর ছেলে মো. হযরত আলী (২২) ও একই গ্রামের আব্দুল মজিদ এর মেয়ে মোছা. মর্জিনা খাতুন (১৯)। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ প্রেমের সম্পর্কে আবদ্ধ হন। তাদের পরিবার সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় তারা দুজন পালিয়ে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়।
সেই প্রেক্ষিতে, গত (১৪ই মার্চ) ৫ লক্ষ টাকা দেনমোহর দার্য করিয়া স্থানীয় মৌলভি মাধ্যমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।
পরে বিষয়টি জানাজানি হলে মেয়ের বাবার অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাতে ছেলের বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তার বাবা-মাকে কামারখন্দ থানায় নিয়ে আসেন।
এ বিষয়ে ছেলের মা তারাভানু জানান, ওরা দুজন দুজনকে ভালবাসত, কিন্তু ওরা যে(১৩মার্চ) পালিয়ে যাবে এ বিষয়ে আমি কিছু জানতাম না।
পরে মেয়ের বাবার অভিযোগের প্রেক্ষিতে গভীর রাতে পুলিশ আমাদের স্বামী/স্ত্রীকে থানায় নিয়ে আসে।
মেয়ে পক্ষ থেকে স্থানীয় মাতব্বর মো. আব্দুল হক, জামতৈল ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আব্দুস সামাদ থানায় এসে আমাদের নিয়ে যায়।
এছাড়া তারা আমার ছেলে ও আমাদের নামে মামলার কথা বলে ৫০ হাজার টাকা দাবী করেন। তাদেরকে মামলা তোলার জন্য রাতেই ১৫ হাজার টাকা আব্দুল হকের কাছে দেয়া হয় এবং বাকি ৩৫ হাজার টাকা সকালে ধার দেনা করে দেই।
এ ঘটনায় সাবেক ইউপি সদস্য দুলাল,স্থানীয় শিক্ষক বিপ্লব ও আমিনুল ইসলাম বিভিন্নভাবে ভয় দেখান।
এ বিষয়ে মেয়ের বাবা আব্দুল মজিদ জানান, আমার মেয়েকে বিকেল থেকে পাওয়া না গেলে খোঁজ নিয়ে জানা যায় আমার গ্রামের মো. হযরত আলী নামে এক ছেলের সাথে আছে। পরে ছেলের বাবা-মাকে আমার মেয়েকে ফেরত দিতে বলি।ছেলে সহ তার দুই বন্ধুর নামে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে আমার মেয়েকে আমার কাছে ফিরে পাই ।
এ বিষয়ে সাবেক ইউপি সদস্য দুলাল বলেন, এ ব্যপারে আমি কিছুই যানিনা তবে এ ব্যপারে থানায় কোন মামলা হয়নি।
গ্রামের মাতব্বর আব্দুল হক টাকার বিষয়টি অস্বীকার করেন।
কামারখন্দ থানার তদন্ত ওসি পলাশ চন্দ্র দেব জানায়,এ বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না যদি ঘটনা সত্যি হয় এর ব্যবস্তা নেওয়া হবে।