আপডেট: মে ৫, ২০১৯

আপডেট:

লালমোহন উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ রিপন।
ঘূর্ণিঝড় ফনির প্রভাবে জোয়ারের পানিতে ডুবে ভোলার লালমোহনে এক শিশু নিহত হয়েছে। এছাড়া ১১২টি কাঁচা ঘর, ৫টি বিদ্যালয়, ৭টি মাদ্রাসা ও একটি ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। শুক্রবার মধ্যরাতে ফনি হানা দেয় দক্ষিণাঞ্চলে। এর ফলে জোয়ারের পানিতে লালমোহনের খাল বিল টইটম্বুর হয়ে যায়। এতে চরভূতা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে মো. জসিমের ৬ বছরের শিশু হাসান খালে ডুবে মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাবিবুল হাসান রুমি।
খবর পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, সহকারী কমিশনার ভূমি মাহমুদুর রহমান খন্দকার, লালমোহন থানার ওসি মীর খায়রুল কবীর,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাসুমা বেগমসহ তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে শিশুর পরিবারকে শান্তনা দেন। এছাড়া মেঘনা নদীর তীরবর্তী মঙ্গলসিকদার ও লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের ফাতেমাবাদ স্লুইজে গিয়ে শিশু ও নারীদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেন ইউএনও হাবিবুল হাসান রুমি।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা অপূর্ব দাস জানান, লালমোহনে ঘূর্ণিঝড় ফনির প্রভাবে ৯০টি কাঁচা ঘর আংশিক ও ২২টি ঘর সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। মাদ্রাসা সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৭টি এবং আংশিক ১৫টি, স্কুল সম্পূর্ণ ৫টি এবং আংশিক ২২টি। এছাড়া মঙ্গলসিকদার কৃষি ব্যাংক ভবনের চাল উড়ে গেছে।