আপডেট: মে ২৬, ২০১৯

আপডেট:

রাসেল, কলাপাড়া প্রতিনিধি// কলাপাড়ায় ঘন্টায় ঘন্টায় বিদ্যুতের আসা-যাওয়ার ম্যাজিকের দায়-ভার নেওয়ার পল্লী বিদ্যুতের যেনো কোনো দায়িত্বই নেই। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় ৫ থেকে ৭ বার চলে লোড শেডিং। দিনে কয়েক ধাপে প্রায় আধা ঘন্টা করে লোড সেডিং দিয়ে শুরু হয় প্রথম ধাপ। সন্ধ্যায় দ্বিতীয় ধাপে গভীর রাত পর্যন্ত চলে বিদ্যুৎ দেয়া নেয়ার ভেলকিবাজি। ইফতারের সময় থাকেনা বিদ্যুৎ। বিশেষ করে প্রতিদিন তারাবির নামাজ শুরুর পর কয়েকবার যাওয়া আসা করে বিদ্যুৎ। এছাড়া অনেক দিন যাবৎ সেহরির সময়ও থাকেনা বিদ্যুৎ। সারাদিন রোজা রেখে প্রচন্ড গরমে বিদ্যুৎ দেয়া নেয়ার খেলায় তারাবি নামাজ শেষ করেন মুসুল্লীরা। অভিযোগ রয়েছে এমন ঘন ঘন লোড সেডিংয়ের সময় বিদ্যুৎ অফিসে মোবাইল ফোন ব্যস্ত করে রাখা হয়। আবার অনেক সময় ফোন ধরলেও দুর্বব্যবহার করা হয় গ্রাহকদের সাথে।
তব্রি তাপদাহে ঘন ঘন লোডসেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে কলাপাড়ায় জন-জীবন। পবিত্র রমযান মাসেও এ লোড সেডিং থেকে রেহাই পাচ্ছেনা গ্রাহকরা। তাপদাহ যতই তীব্র হয়, লোড শেডিং যেন ততই পাল্লা দিয়ে বাড়ে। সকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত বেশ কয়েকবার চলে বিদ্যুৎ দেয়া নেয়ার খেলা।
কলাপাড়া পৌর শহরের বাসিন্দারা জানান, একটু মেঘ, বাতাস কিম্বা ঝড় হলেই চলে যায় বিদ্যুৎ। দিনে আট দশবার যাওয়া আসা করে বিদ্যুৎ। পল্লী বিদ্যুতের কাছে আবেদন যেন তারাতারি এ লোড সেডিং সমস্যার সমাধান করে। পল্লী বিদ্যুৎ ভেলকিবাজিতে আমরা অতিষ্ঠ। ঠিক মত সেহরি খেতে পারিনা। ইফতারের সময়ও থাকেনা বিদ্যুৎ। এছাড়া বেশির ভাগ তারাবির সময়ও ঠিকমত বিদ্যুৎ পাওয়া যায়না। মহিপুর খান আইস প্লান্টের মালিক (বরফ কল) মালিক আবদুল কামাল খান জানান, ঘন ঘন লোড সেডিংয়ের ফলে আমাদের ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। পর্যাপ্ত চাহিদা থাকা সত্ত্বেও আমরা ঠিকমত বরফ সরবরাহ করতে পারছিনা।
কলাপাড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম মো.শহিদুল ইসলাম জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারনে একটু সমস্যা হচ্ছে। খুব দ্রƒত এ সমস্যার সমাধানে চেষ্টা চলছে।