২, সেপ্টেম্বর, ২০২০, বুধবার | | ১৪ মুহররম ১৪৪২

দিনাজপুর-৬ আসনে নৌকা মার্কা নিয়ে জনগণের স্বপ্ন পূরণ করতে চান আলতাফুজ্জামান মিতা

আপডেট: নভেম্বর ২২, ২০১৮

  • Facebook Share
দিনাজপুর-৬ আসনে নৌকা মার্কা নিয়ে জনগণের স্বপ্ন পূরণ করতে চান আলতাফুজ্জামান মিতা
 মোঃ জাকিরুল ইসলাম, (বিরামপুর,দিনাজপুর,প্রতিনিধি): আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর-৬ আসনে সাধারণ জনগনের মধ্যে যখন একটাই প্রশ্ন- কে হচ্ছেন নৌকার মাঝি? ঠিক সেই সময়ে দিনাজপুর জেলার বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট ও হাকিমপুর উপজেলার তৃণমূল পর্যায়ে নৌকা মার্কার জনপ্রিয়তার শীর্ষে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ আলতাফুজ্জামান মিতা। প্রধানন্ত্রী শেখ হাসিনার সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় বর্তমানে তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন। পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে সাংগাঠনিক শক্তিকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছেন। গত রবিবার (১৩ নভেম্বর) বিকাল ৩ ঘটিকার সময় ধানমণ্ডির আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নতুন ভবন থেকে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেন এবং জমা দেন।
এলাকায় ক্লিন ইমেজ ও হেভি ওয়েট নেতা হিসেবে আলতাফুজ্জামান মিতার বেশ সুনাম রয়েছে। সাবেক ছাত্রনেতা ও ৭৫ পরবর্তী দুঃসময়ের ত্যাগী, পরীক্ষিত রাজনীতিক ব্যক্তি তিনি। ১৯৭৫ সাল থেকে এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগে তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে অনেকবার জেল-জুলুম ও নির্যাতন শিকার হয়েছেন। এরপরও দলের জন্য ত্যাগ ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। একাধিকবার দিনাজপুর-৬ আসন থেকে মনোনয়ন চেয়েছেন তিনি। ১/১১ সময়ে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনাসহ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা ও গ্রেফতারের প্রতিবাদে জনমত গড়ে তোলেন তিনি। ১৯৭৫ পরবর্তী দুঃসময়ে রাজনৈতিক হয়রানির শিকার ও গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। এবারই প্রথম নয়, এর আগেও এই আসন থেকে মনোনয়ন চেয়েছেন কিন্তু তাকে মনোনয়ন দেওয়া না হলেও কখনও দলের বিপক্ষে গিয়ে কাজ করেননি পরীক্ষিত এই নেতা। সেদিক দিয়ে দলীয় বিবেচনার মধ্যেও রয়েছেন আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ।
হাস্যোজ্জ্বল ও সদালাপী হিসেবে পরিচিত এই মানুষটির পক্ষে এলাকার বেশিরভাগ লোকজনেরই ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে। ২২ নভেম্বর বিরামপুর প্রতিনিধিকে দেওয়া এক মুঠো ফোন সাক্ষাতকারের সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে আলতাফুজ্জামান মিতা বলেন, “দিনাজপুর-৬ আসনের এলাকার মানুষ পরিবর্তন চায়, এলাকার মানুষ নতুন মুখ দেখতে চায়”। তিনি মনোনয়ন পেয়ে এমপি হলে এলাকায় বিভিন্নভাবে উন্নয়ন করতে চান। যেমন- শিক্ষা ও কৃষিকাজে প্রসার, এলাকা মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করা, তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান, ক্রীড়া ও বিনোদনের ব্যবস্থাসহ আরও নানা উন্নয়নমূলক কাজ করতে চান।  তিনি আশা করেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌর্কা মার্কায় মনোনয়ন দিলে উন্নয়নের অগ্রযাত্রার সঙ্গী হিসাবে অত্র এলাকার উন্নয়ন করতে পারবো । আমি আশা করি, এই আসনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে এই আসনটি উপহার দিতে পাররো।