আপডেট: জুলাই ১০, ২০১৯

আপডেট:

নোয়াখালী প্রতিনিধি/মেহেদি হাসান:
নোয়াখালীর মাইজদি আসা মানুষের জরুরী প্রয়োজনে প্রায় ৭০ শতাংশ রক্তের ব্যবস্থা করে আসছে নোয়াখালী সরকারী কলেজের শিক্ষার্থীরা।রক্তদানে মুমূর্ষু রোগীর পাশে দাঁড়িয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে কলেজটি।কুড়িয়েছে গ্রাম থেকে আসা অসহায় মানুষের ভালোবাসা ও আশীর্বাদ।
জরুরী ভিত্তিতে ব্লাড ডোনেট করতে গড়ে উঠেছে ‘ বাঁধন’,’ইংলিশ সোসাইটি’নামক বেশ কয়েকটি স্বেচ্চায় রক্তদাতাদের সংগঠন।যার মধ্য দিয়ে তারা প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছেন আত্মমানবতার সেবা।
স্বেচ্চাসেবীরা জানান,প্রসবজনিত অপারেশনের সময় ব্লাড, বড় ধরনের দূর্ঘটনার মতো নাজুক অবস্থা,শিশুদের প্রয়োজনে এমন সব মানুৃষ প্রতিনিয়তই আমাদের কাছে আসেন।মাঝে মধ্যে অনেক হিমশিম পোহাতে হয়।তবুও আমরা সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করি।
স্বেচ্চায় রক্তদাতাদের সংগঠন বাঁধনের সহ সভাপতি আব্দুল মান্নানের সাথে কথা বললে তিনি জানান, ‘২০১৬ সালে নোয়াখালী সরকারী কলেজে বাঁধন প্রতিষ্ঠিত হয়।পরে ২০১৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় বাঁধন থেকে অনুমোদন পায়। ২০১৬ থেকে ২০১৯ এই সময়কালে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার ব্যাগ ব্লাড ডোনেট করেন বলেও তিনি জানান।’
স্বেচ্চায় রক্তদাতাদের নোয়াখালী সরকারী কলেজের আরেকটি সক্রিয় সংঘঠন ‘ ইংলিশ সোসাইটি ব্লাড ডোনেট গ্রুপ।’গ্রুপের সম্পাদক সাইফুল্লাহ সাইফের সাথে কথা বলে জানা যায়,৬ মাস আগে তারা এই ভার্চুয়াল গ্রুপটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং এ সময়কালে প্রায় অর্ধশতাধিক ব্যাগ ব্লাড ডোনেট করেন।বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গ্রাম থেকে আসা অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানে এবং মানবতার সেবায় সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতেই তাদের এই প্রচেষ্টা বলেও তিনি জানান।এই জনহিতকর কাজটি অব্যাহত রাখার কথা বলেন তিনি।
নোয়াখালী সরকারী কলেজের ন্যায় প্রতিটা বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ কিংবা স্কুলে গড়ে তোলা প্রয়োজন ব্লাড ডোনেট সংঘঠন। স্বেচ্চাসেবী সংগঠন এবং শিক্ষার্থীরা আহবান জানান স্লোগান তুলতে হবে প্রানে প্রানে,”যদি হই রক্তদাতা,জয় করবো মানবতা”।