২৪, আগস্ট, ২০২০, সোমবার | | ৫ মুহররম ১৪৪২

বাজিতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভবনের বেহাল দশা

আপডেট: নভেম্বর ২৪, ২০১৮

  • Facebook Share
বাজিতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভবনের বেহাল দশা
মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধিঃ একটি পাঁকা ও একটি টিনশেট ভবন। টিনশেট ভবনের কোনকোন কক্ষে দরজা নেই আবার কোনকোন কক্ষে জানালা নেই। আবার কিছু কক্ষের পিছনের বেড়া নেই। বেড়া থাকলেও কিছু কক্ষের টিন দেখলে মনে হয় সেগুলো বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের নিশ্চুপ সাক্ষী।
একটি পাঁকা ভবন থাকলেও সেটিও ঠিক নেই পুরোপুরিভাবে। কিছুদিন আগে সেটির সবগুলো কক্ষে নতুন দরজা লাগানো হয়েছে।কিন্তু জানালাগুলো আছে ঠিক আগের মতই ভাঙ্গাচোরা। পাঁকা ভবনটির সামনের ও পিছনের জানালার কাঁচগুলো ভেঙ্গে পরেছে।
বিদ্যালয়টি পটুয়াখালী জেলাধীন মির্জাগঞ্জ উপজেলার বাজিতা গ্রামে অবস্থিত। বাজিতা মাধ্যমিক বিদ্যালয় নামের এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৯৭০ সালে। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছেন বাজিতা গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা প্রায়ত জনাব মোঃ গোলাম মস্তোফা আকন।
বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের এই বেহাল দশার কারণে পড়াশুনার পরিবেশ ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।তাছাড়া শিক্ষক-শিক্ষিকাও নেই পর্যাপ্ত পরিমাণে। ৭ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে বিদ্যালয়টি। শিক্ষকের পরিমাণ যথেষ্ট না হওয়ায় মাঝেমাঝে অতিথি শিক্ষক দ্বারা শিক্ষকের অভাব মেটানো হয়।
প্রতিষ্ঠার দিক দিয়ে প্রায় অর্ধ-শতাব্দী পার করলেও পড়াশুনার মান দিনদিন অবনতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। এই অবনতির জন্য ভঙ্গুর একাডেমিক ভবন ও শিক্ষক স্বল্পতাকেই দায়ী বলে মনে করেন অনেকে। পড়াশুনার মানের অবনতির কারণে এলাকার অধিকাংশ সচেতন অভিভাবকগণই তাদের শিশুটিকে এই বিদ্যালয়ে ভর্তি করতে ভরসা পান না।
বিদ্যালয়টির শিক্ষার মান অক্ষুণ্ণ রাখতে হলে অতিসত্বর সরকারি তৎপরতা দরকার। প্রশাসনের নিয়মিত তদারকি, বিদ্যালয়টির একাডেমিক ভবনের উন্নতিসাধন ও প্রয়োজনমত বিজ্ঞ শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে বিদ্যালয়টির অবকাঠামোগত উন্নয়ন এখন সময়ের দাবী।