২৩, আগস্ট, ২০২০, রোববার | | ৪ মুহররম ১৪৪২

ঝাড় ফুঁক দিয়েই নারী- শিশু ধর্ষণ; দক্ষিণখানে মসজিদের ইমাম গ্রেফতার!

আপডেট: জুলাই ২২, ২০১৯

  • Facebook Share
ঝাড় ফুঁক দিয়েই নারী- শিশু ধর্ষণ; দক্ষিণখানে মসজিদের ইমাম গ্রেফতার!

মো:আতিকুর রহমান,উওরা,প্রতিনিধি:
রাজধানীর দক্ষিণখানের একটি মসজিদেরইমাম ইদ্রিস আহাম্মেদ (৪২)। পাশাপাশিস্থানীয় একটি মাদরাসার শিক্ষকও। গত ১৮বছর ধরে স্থানীয় অনেকেরঅসুস্থতায় তিনি ঝাড়ফুঁক ও তাবিজ-কবজদিতেন। ঝাড়ফুঁক নেয়াদের মধ্যেনারীদের সংখ্যাই বেশি। বিশ্বস্ততারসুযোগ নিয়ে ঝাড়ফুঁক ও জিনের ভয়দেখিয়ে সুন্দরী মেয়েদেরজোরপূর্বক ধর্ষণ করে আসছিলেনতিনি। বাদ যায়নি মাদরাসা ও মসজিদে আসাশিশুরাও। সম্প্রতি এক ভুক্তভোগী নারীরঅভিযোগের ভিত্তিতে দীর্ঘসময়তদন্ত করে প্রমাণ পাওয়ার পর গতরোববার মধ্যরাতে র্যাব-১ এর একটি দলরাজধানীর দক্ষিণখান থানাধীন সৈয়দনগরএলাকা থেকে ইদ্রিস আহাম্মেদকেগ্রেফতার করে। এ সময় তারমোবাইলফোন জব্দ করা হয়। ওইমোবাইলফোনে ধর্ষণ ও বলাৎকারেরঅনেক ভিডিও ও ছবি পাওয়া গেছেবলেও জানিয়েছে র্যাব।সোমবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারেআয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্যজানায় র্যাব-১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেলসারওয়ার বিন কাশেম। তিনি বলেন,দক্ষিণখানের স্থানীয় একটি মসজিদেইমামতি ও মাদরাসায় শিক্ষকতা এবং দীর্ঘদিনদক্ষিণখান এলাকায় অবস্থান নিয়ে বিশেষপ্রভাব বলয় তৈরি করেন ইদ্রিসআহাম্মেদ। প্রভাবকে পুঁজি করেদীর্ঘদিন ধরে কৌশলে ধর্ষণ ওবলাৎকারের মতো জঘন্য অপরাধ সংঘটিতকরে আসছিলেন তিনি।র্যাব-১ এর সিও বলেন, অভিযুক্ত ইদ্রিসআহাম্মেদের বাড়ি সিলেট জেলায়। তিনিসিলেটের একটি মাদরাসা থেকে ১৯৯৮সালে টাইটেল পাস করেন। এরপরসিলেটের কোম্পানীগঞ্জের একটিমসজিদে ইমামতির পাশাপাশি মাদরাসায় শিক্ষকতাশুরুকরেন। ২০০২ সালে ঢাকায় এসেদক্ষিণখানের ওই মসজিদে ইমামহিসেবে নিযুক্ত হন। ১৮ বছরের বেশিসময় ধরে এলাকায় ঝাড়ফুঁক এবং তাবিজ-কবজবিক্রি করেন। তার সঙ্গে জিন আছেমর্মে প্রচার ও কুকর্মের প্রধান হাতিয়ারহিসেবে ব্যবহার শুরু করেন। এ সুযোগকাজ লাগিয়ে তিনি সুন্দরী নারীদেরমিথ্যা ঝাড়ফুঁক ও জিনের ভয়দেখিয়েধর্ষণ করেন। পরে অনেক নারীইআত্মসম্মান এবং কুসংস্কারের কারণেতাদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনা কাউকেবলেননি।তিনি বলেন, ইদ্রিস মসজিদে তার কক্ষেখেদমতের অজুহাতে কিশোরদেরজোরপূর্বক বলাৎকার করেন। এছাড়া তিনিযে মাদরাসায় শিক্ষকতা করেন সেখানকারছাত্রদের মসজিদে ডেকে এনেবলাৎকার করে কৌশলেমোবাইলফোনে অপকর্মের ভিডিওধারণ করেন। ১২ থেকে ১৯ বছরবয়সী কিশোরদের বলাৎকার করেনবলে জানা যায়। জিন ও তাবিজ করার ভয়দেখিয়ে বিষয়টি গোপন রাখতে বলেপুনরায় ভিকটিমকে ধর্ষণে বাধ্য করেন।কোনো ভিকটিম অনৈতিক কাজে অনিচ্ছাপ্রকাশ করলে তাকে মোবাইলেধারণকৃত ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখানোহয়। এতে বাধ্য হয়ে ভিকটিম অনিচ্ছাসত্ত্বেও বারবার বলাৎকারের শিকারহয়েছে। গ্রেফতার ইদ্রিস আহম্মেদপ্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান, মসজিদেরএকটি বিশেষ কক্ষে তিনি ঘুমাতেন। তারসব অপকর্ম ওই কক্ষেই সম্পন্ন হতোএবং তার এই অপকর্মের ভিডিওগু