১৪, মে, ২০২১, শুক্রবার | | ২ শাওয়াল ১৪৪২

ভাইয়ের লাশ দেখা হল না আসলাম চৌধুরীর

আপডেট: আগস্ট ৮, ২০১৯

ভাইয়ের লাশ দেখা হল না আসলাম চৌধুরীর

খোরশেদ আলম,চট্টগ্রাম

সীতাকুন্ডে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিএনপি কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব কারাবন্দী নেতা লায়ন আসলাম চৌধুরীর (এফসিএ) বড় ভাই মহিন চৌধুরী (৬০) গত ০৮/০৮/২০১৯ মঙ্গলবার ইন্তেকাল করেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টায় চট্টগ্রামের ডায়বেটিস হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান। এদিন ভাইয়ের মৃত্যুর পর তার লাশ দেখাতে আসলাম চৌধুরীর প্যারোলে মুক্তি দাবি করেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। কিন্তু প্রশাসন রাজি না হওয়ায় তা তিনি পাননি বলে জানা গেছে।
থানা বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা লায়ন আসলাম চৌধুরীর বড় ভাই মহিন চৌধুরী চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত মঙ্গলবার সকালে মারা গেলে আসলাম চৌধুরী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। এতে নেতাকর্মীরা তাকে প্যারোলে মুক্ত করে লাশ দেখানোর জন্য চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন। এসময় জেলা প্রশাসক তাকে মুক্তি দেবার বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে কথা বললে পুলিশ জানিয়ে দেয় আসলাম চৌধুরীকে মুক্তি দিলে সেখানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মত জনবল তাদের নেই। তাই তারা মুক্তি দেবার বিপক্ষে মতামত প্রদান করেন। ফলে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। এদিকে, মঙ্গলবার ০৮/০৮/২০১৯ বিকাল ৫টায় উপজেলার ফৌজদারহাটস্থ নিজ বাড়িতে নামাজে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানাজায় উপস্থিত থেকে শোক প্রকাশ করেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, তার বড় ভাই উওর জেলা কৃষক দলে সভাপতি ইসহাক কাদের চৌধুরী, এম.এ হালিম, মরহুমের ছোট ভাই রাইজিং গ্রুপের এমডি আমজাদ চৌধুরী,  জহুরুল আলম জহুর, কাজী সালাউদ্দিন,ভাটিয়ারী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুরুল আনোয়ার,ভাটিয়ারী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও গত নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী খোরশেদ আলম,ভাটিয়ারী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাহাবউদ্দিন সহ অসংখ্য নেতাকর্মীরা। এদিকে জানাজায় নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন যে, ভাইকে শেষবারের জন্য দেখানোর জন্য বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর প্যারোলে মুক্তির আবেদন করলেও তাকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। এটি স্পষ্টতই মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে। তারা এর তীব্র নিন্দা জানান।