আপডেট: সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৯

আপডেট:

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দুওসুও ইউনিয়নের জিয়াখোর পূর্বপাড়া গ্রামে প্রেমিকা আহবানে সাড়াদিতে গিয়ে প্রেমিক হারেসুলকে ঘরে আটক করে রাখে প্রেমিকার বাড়ির লোকজন৷পরে পুলিশ সেখান থেকে উদ্ধার করে থানায় এনে আটক করে ।প্রেমিককে আটক করায় প্রেমিকা লিজা আক্তার আত্মহত্যা করার জন্য বিষপান করে,তাৎক্ষনিকভাবে পরিবারের লোকজন তাকে বালিয়াডাঙ্গী হাসপাতালে নিয়ে যায়৷এখন সে হাসপাতলে চিকিৎসাধীন ও সুস্থ আছেন৷
রবিবার ৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় প্রেমিকার ডাকে দেখা করতে আসলে এ ঘটনা ঘটে৷
স্থানীয়সুত্রে জানাযায়, প্রেমিক ও প্রেমিকা তাদের নানার বাড়িতে লেখা পড়া করছে । দুজনে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ।প্রেমিক হারেসুল ইসলাম বালিয়াডাঙ্গী কলেজিয়েট স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র এবং দুওসুও মুন্সিপাড়া জসির উদ্দিন এর নাতী।সে ঠাকুরগাঁও সদর থানার বাঁশগাড়া গ্রামের আলমের ছেলে ।
প্রেমিকা লিজা আক্তার দুওসুও উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণির ছাত্রী।বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার জিয়াখোর পূর্বপাড়া নাজিম উদ্দিনের নাতনী সে।বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নের জিয়াখোর গ্রামের জাহাঙ্গীরের মেয়ে লিজা আক্তার।
লিজা তাঁর মামির ফোন দিয়ে প্রেমিক হারেসুলের সাথে কথা বলতো । রবিবার সন্ধ্যায় প্রেমিকার নানার বাড়িতে দেখা করতে আসে । হারেসুল প্রেমিকার সাথে কথা বলার এক পর্যায়ে নাজিম উদ্দিনের বাড়ীর লোকজন হারেসুলকে ঘরে আটক করে রাখলে, লিজা বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে।
হারেসুল জানায়, কমার্স কোচিং সেন্টারে কোচিং করার সময় লিজার সাথে পরিচয় । এর মধ্যে দিয়ে প্রণয় শুরু হয় । ৪ মাস ধরে তাদের মোবাইলে যোগাযোগ রয়েছে । লিজার মামির মোবাইল দিয়ে কথাবার্তা বলতো লিজা আমার সাথে।
লিজার নানা নাজিম দ্দিন জানান, কোচিংয়ে এক সঙ্গে পড়ার কারণে আমার নাতনির সাথে পরিচয় হয় হারেসুলের সাথে৷
বালিয়াডাঙ্গী থানার এস আই রাশেদ ও নির্মল জানায়, আটকের খবর পেয়ে আমরা হারেসুলকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি এবং লিজার চিকিৎসার খবর নেয়৷মামলার কথা জানতে চাওয়া হলে বলেন এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পায়নি,অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিব৷