আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯

আপডেট:

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার চনপাড়া এলাকায় মাদক স¤্রাট ও নারী ধর্ষণকারী মৃত সানাউল্লাহ মিয়ার ছেলে সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ফেন্সি সাজ্জাদ গংদের হুমকিতে এই এলাকায় বসবাসরত নাসির উদ্দিন ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় জীবনে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছেন। নাসিরউদ্দিন ও তার স্ত্রী লিপী আক্তার এ প্রতিবেদককে জানান এই এলাকার মৃত সানাউল্লাহর ছেলে সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ফেন্সি সাজ্জাদ গত বছর আমার কলেজ পড়–য়া মেয়ে মোসাঃ লীনা আক্তার (১৯) কে প্রেমের ফাঁদে ফেলে কলেজ থেকে বাসায় ফেরার পথে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করেন। শুধু তাই নয় ভুয়া নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে কাজী অফিসের রেজিষ্ট্রীবিহীন অবৈধভাবে বিবাহের হলফনামা তৈরি করে লীনা আক্তারকে বাসায় নিয়ে যায়। উক্ত ধর্ষণকারী সাজ্জাদ হোসেনের অপকর্ম, মোসাঃ লীনা আক্তার পিতা-মাতাকে বললে পিতা নাসিরউদ্দিন তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়। উক্ত ধর্ষণকারীর বড় ভাই শাহ-আলম ও সাজ্জাদের সন্ত্রাস বাহিনী প্রতিনিয়ত জীবন নাশের হুমকি প্রদান করেন এবং লীনার ছবি যোগাযোগ মাধ্যম বেইসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেয়। নাসিরউদ্দিন ও তার স্ত্রী লীপি আক্তার আরো বলেন, তারা বাধ্য হতে গত ০১/০৭/২০১৯ইং তারিখে সাজ্জাদ হোসেনের বিরুদ্ধে আড়াইহাজার থানায় মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং- ০১/১৯। আড়াইহাজার থানা বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে সন্ত্রাস, মাদক ও ধর্ষণকারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণাকারী আড়াইহাজার থানার উ-পুলিশ পরিদর্শক (এস.আই) মোঃ ফায়জুর এর নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী মাদক ব্যবসায়ী ও ধর্ষণকারী সাজ্জাদ হোসেনকে ধরার জন্য তার এলাকা ও বাসায় চিরুনী অভিযান চালায়। প্রকাশ থাকে যে, সাজ্জাদের বড় ভাই শাহআলমের পরামর্শে সাজ্জাদ ওরফে ফেন্সি সাজ্জাদ পালিয়ে আত্মগোপন করিয়াছে। সাজ্জাদ হোসেন এলাকায় না থাকায় নাসিরউদ্দিন তার ধর্ষিতা মেয়েকে পাঁচবাইরা গ্রামের হোসেন মীরের ছেলে মোঃ ওমর ফারুকের সাথে বিয়ে দেন। বিয়ের কথা সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন জানতে পেরে প্রতিনিয়ত তাদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছে। নাসিরউদ্দিন আমাদের আরো জানান সন্ত্রাসী সাজ্জাদের বড় ভাই মোঃ শাহ আলম মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দেন। মামলা না তুলে নিলে আমার ৬ বছরের শিশু কণ্যাকে মেরে ফেলার হুমকিও দেন। তার বিরুদ্ধে আড়াইহাজার থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। ডায়েরী নং-