২৫, সেপ্টেম্বর, ২০২০, শুক্রবার | | ৭ সফর ১৪৪২

আইইউবিএটিতে “বাংলাদেশের চা শিল্প-চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরনের কৌশল” শীর্ষক সেমিনার

আপডেট: মার্চ ১২, ২০১৯

  • Facebook Share
আইইউবিএটিতে “বাংলাদেশের চা শিল্প-চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরনের কৌশল” শীর্ষক সেমিনার

শাহাদাত হোসেন শাকিল, আইইউবিএটি প্রতিনিধি: আমাদের চা,আমাদের গর্ব এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফবিজনেস এগ্রিকালচার এন্ড টেকনোলজিতে (আইইউবিএটি) অনুষ্ঠিত হল “বাংলাদেশের চা শিল্প — চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরনের কৌশল” শীর্ষক জাতীয় সেমিনার।আইইউবিএটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ অব বিজনেস এমিনিস্ট্রেশন এবং কলেজ অব এগ্রিকালচারাল সাইন্সের উদ্যোগে বাংলাদেশের চা শিল্প এর সম্ভবনা এবং ভবিষৎ নিয়ে উক্ত সেমিনারে সর্বমোট ১১ টি প্রবন্ধ পাঠ করা হয়। সেমিনারের মূল লক্ষ্যছিল বাংলাদেশের চা শিল্পের চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরনের কৌশল চিহিৃত করন। বাংলাদেশে চা-শিল্পে রয়েছে অপার সম্ভাবনা। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মোঃ লুৎফর রহমান। তিনি বাংলাদেশের চা শিল্রে বর্তমান অবস্থা বর্ননা করে বলেন চা বাগানে অস্থায়ী শ্রমিক এবং তাদের পোষ্যদের সংখ্যা বছর বছর বৃদ্ধি পাচ্ছে কিন্তু স্থায়ী শ্রমিকদের সংখ্যা বৃদ্ধি হচ্ছেনা। জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে নতুন বাগান সৃজনের উপযুক্ত জায়গার অভাব, কর্মসংস্থানের  অভাব, পুরাতন বাগানের জায়গায় নতুন বাগান বৃদ্ধি করার প্রবনতা কম, ইত্যাদি করনে চা শিল্পকে অদুর ভবিষ্যতে দুর্দশা থেকে পরিত্রানের জন্য অবিলম্বে পুরাতন চা গাছ তুলে নতুন চা রোপনের পরামর্শ দিয়েছেন। এর ফলে একদিকে যেমন অস্থায়ী বেকার শ্রমিদের কাজের সংস্থান হবে অন্যদিকে  উৎপাদন বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে। আইইউবিএটির উপাচার্য অধ্যাপক ড.আব্দুর রবের সভাপতিত্বে  সেমিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন , উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড.হামিদা আখতার বেগম,কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড.মো:শহীদুল্লাহ মিয়া,মনিপুর টি কোম্পানির  জিএম জুবায়ের হোসেন, বাংলাদেশ চা গবেষণা  ইনস্টিটিউট এর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. টি আহমেদ, তেতুলিয়া টি কোম্পানির চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, সিনিয়র টি প্ল্যানটার বিলি আহমেদ এবং হালদা ভ্যালি টি কোম্পানির প্রতিনিধিগণ সহ  বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষারথীগন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড.আব্দুর রব জাতীয়  জাতীয় পর্যায়ে এধরনের  সেমিনার আয়োজন করার জন্য আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন চা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল৷ দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও ক্রমাগত নগরায়নের ফলে ও জনতার শহরমুখিতার কারণে চায়ের অভ্যন্তরীণ চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে৷ এছাড়া সামজিক উন্নয়নের ফলেও চায়ের অভ্যন্তরীণ চাহিদা বেড়েছে৷ বিগত তিন দশক ধরে চায়ের অভ্যন্তরীণ চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়েছে৷ ফলে চায়ের রপ্তানি হঠাত্ করেই কমে গেছে৷ তারপরও জাতীয় অর্থনীতিতে চা শিল্পের গুরুত্ব অপরিসীম এবং সুদূরপ্রসারী৷ভবিসাতে আমারা এধরনের সেমিনার আয়োজন করবো।স্পন্সর কোম্পানিসহ সেমিনারে সার্বিক সহযোগিতার জন্য তিনি সকল কে ধন্যবাদ জানান। —