আপডেট: মে ৬, ২০১৯

আপডেট:

মোঃ হাবিবুল্লাহ হাবিব, ফুলবাড়ীয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি ঃ
মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। আপনার আমার একটু সহানুভুতিই পারে একটি জীবন বাঁচাতে। যেমন বাঁচতে পারে ফুলবাড়ীয়ার অসহায় মোঃ আরাফাত এর একটি চোখ। ডাক্তারের নতুন করে আশ্বাস পেয়েছেন। তবে তার জন্য দরকার কমপে ১ লক্ষ টাকা। ছেলের জীবন বাঁচাতে সকলের কাছে সাহায্যের আবেদন করেছেন অসহায় মা মোছাঃ লাকি।
ফুলবাড়ীয়া হতদরিদ্র ঘরে জন্ম নেওয়া রফিজ উদ্দিন এর ছেলে মো. আরাফাত (৭) সবার মতো দু’চোখের দৃষ্টিশক্তি নিয়ে জন্মে ছিলেন ফুলবাড়ীয়া উপজেলার ৭নং বাকতা ইউনিয়নের বাকতা পশ্চিমপাড়া গ্রামে । সাত বছর বয়সি মোঃ আরাফাত এখন দু’চোখের দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে অন্ধ হওয়ার পথে। রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন চুহাসপাতালে চিকিৎসা করেছেন তিনি। চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে গিয়ে আরাফাতের পরিবার এখন নিশ্বঃ।
এদিকে সংসারের একমাত্র ছেলেকে সুস্থ করতে ওয়ার্ল্ড ভিশন সিসিডিবি ৮০ হাজার টাকা লোন, গরু বিক্রি করে ২৫ হাজার, আত্মীয় স্বজন হতে ১০ হাজার ঋন করে তার চিকিৎসা করান। তার বাবা দিনমজুর। আর সম্পদ বলতে ৩ শতাংশ জমির উপর ঘর তুলে বসবাস করছেন তারা।
মোছাঃ লাকি কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার ছেলে আরাফাত বাকতা পশ্চিমপাড়া আল আরাফাত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির একজন ছাত্র। পাশের বাড়িতে বক পাখি দিয়ে খেলতে গেলে ডান চোখে (বকের ঠোট দিয়ে) আঘাত পায়, পরে চোখ থেকে রক্ত পড়ে। তারপর একজনের পরামর্শে চোখের ড্রপ ব্যবহার করি। তাতে কোন কাজ না হলে ময়মনসিংহ ধোপাখোলা চক্ষু হাসপাতালে ডাক্তার দেখানোর পর অপারেশন করতে বলে আমরা অপারেশন করাই। কিন্তু চোখের কোন উন্নতি না হওয়ায় চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. কে.আর ইসলামকে দেখালে তিনি ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনষ্টিটিউট ও হাসপাতাল শের-ই-বাংলা নগর, ঢাকা চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেন। সেখানে চোখের অপারেশন করানো হয়, এখন ঐ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ খায়ের আহমেদ চৌধুরী তত্তাবধানে আছে। ডান চোখের জন্য বাম চোখটি নষ্ট হওয়ার সম্ভবনা আছে এমনটাই বলছেন ডাক্তার। এর জন্য দরকার ১ লক্ষ টাকা। তিনি আরো বলেন, সাহায্যের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বাকতা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করেছি।
আমার একমাত্র ছেলে অসুস্থ্য হওয়ায় আমরা এখন নিঃস্ব। আমাদের পথে বসা ছাড়া আর কোনো রাস্তা নেই। মোঃ আরাফাত চিকিৎসার আর্থিক সাহায্যের জন্য সুহ্নদয় ও দানশীল ব্যক্তিবর্গের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন তার অসহায় মা মোছাঃ লাকি। যোগাযোগ করতে পারেন-০১৮৬৩৩৯৭৫১৩/০১৭২৮৫৯০৪৬৫।