আপডেট: মে ২৩, ২০১৯

আপডেট:

ডেক্স রিপোর্ট:: গতকাল ২১ মে মঙ্গলবার শহরের একটি খুপরি ঘর থেকে প্রকাশিত সময়ের সমীকরণ পত্রিকায় খুলনা বিভাগ তথা দেশবরেণ্য সাংবাদিক কলামিস্ট ও ছড়াকার এবং বিশুদ্ধ বাংলার কারিগর সাংবাদিক সজীব আকবর ও তাঁর রিপোর্টিং টিমকে চাঁদাবাজ ও কথিত সাংবাদিক বলে চালানোর ব্যর্থ অপপ্রয়াস করা হয়েছে। যা নিতান্তই হাস্যকর এবং আষাঢ়ে গল্পের ন্যায় মনে করেছেন এলাকার সচেতন মহল। মূলতঃ একজন সাবেক চরমপন্থী জননেতা ও টেলিসামাদ সাদৃশ্য এক গ্রাম্য সংবাদ দাতা যৌথভাবে এ নোংরা খেলায় মেতে সস্তা বাহবা কুড়াতে যেয়ে নিজেরাই হয়েছেন ধিকৃত।
প্রাইমারির গণ্ডিতে গিট্টু খাওয়া এ সাবেক চরমপন্থী ও বর্তমান জন প্রতিনিধির পিঠে ও ঘাড়ে রয়েছে রাইফেলের ঘাঁটা। তার আপন ভাইও ছিলেন চরমপন্থী নেতা। দুঃখ জনক ভাবে তার ভাই প্রতিপক্ষের গুলিতে নির্মমভাবে খুন হন। এতে আস্তে আস্তে রণে ভঙ্গ দিতে থাকেন এ জনপ্রতিনিধি। ঝোড় জঙ্গল, পানের বরজ আর বাঁশঝাড় ভেদ করে প্রকাশ্যে শহরে ঢোকার আপ্রাণ চেষ্টায় মরিয়া হয়ে ওঠেন। অবশেষে জেলা আওয়ামী লীগের একজন ফেরেশতা রূপি নেতার হাত পা ধরে নানাবিধ শর্ত সাপেক্ষে ইঁদুরের গর্ত থেকে বেড়িয়ে শহরে দলবদ্ধভাবে ঘুরতে থাকেন। বিভিন্ন পলিটিক্যাল প্রোগ্রাম ও নির্বাচনী মিছিলের সন্মূখভাগে এদের অংশ গ্রহণে আড়ালে আবডালে চাপা ক্ষোভের ঝড় বয়ে যায়। তাই স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর সোনারতরী বারবার তীরের কাছাকাছি এসেও ডুবে যায়।
এমনকি অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যতের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ জনপ্রিয় জননেতা দক্ষিণ পশ্চিম রণাঙ্গনের মহানায়ক খোদ সোলায়মান হক জোয়ার্দার ছেলুন ( মেজো ভাই) কেউ হতে হয়েছে বারবার ধরাশায়ী।
এ গ্রাম্য জনপ্রতিনিধি এক টুকরো চেয়ার পেয়ে ভাবছেন দিল্লির মসনদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন? তিনি জানেন না অত্র এলাকার জনপ্রিয় প্রয়াত চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান হত্যা ও পাওয়ার ট্রিলার নাটকের তীর এখনো পর্যন্ত তার এবং তাদের দিকেই আছে। শুধু সাক্ষী প্রমাণের অভাবে বিচারের বাণী নিভৃতেই কাঁদছে।
অার টেলিসামাদ সাদৃশ্য গ্রাম্য সংবাদ দাতার বিষয়ে যত কম বলা যাবে ততই মঙ্গল। কারণ এতো তিড়িং বিড়িং করে লাফিয়েই চলেছে। যথা ” দুদিনের বৈরাগি ভাতকে বলে অন্ন “!!
যা বলছিলাম সাংবাদিক সজীব আকবর কতোটা ক্ষুরধার লেখক তা যাঁদের জানার তাঁরা ঠিকই জানেন।
গত ক’বছর ধরে জেলার শহরে গ্রামে হাটে বাজারে প্রতিটি গাছে গাছে ছিলো নানাবিধ ফ্রেমবন্ধী পোস্টার বিজ্ঞাপনের হিড়িক।
তো সাংবাদিক সজীব আকবর ফেসবুকে বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুর উদ্ধৃতি দিয়ে লিখেছিলেন ” বৃক্ষের বুকে নীরব রক্তক্ষরণ “। লেখাটি এতটাই প্রাণবন্ত ও সময়পোযোগী হয়েছিল যে স্বয়ং সাবেক জেলা প্রশাসক জিয়া উদ্দিন আহমেদ ও ইউএনও বৃন্দও লেখাটি শেয়ার করেন। আর ঐ লেখার মধ্যেই ডিসি জিয়া উদ্দিন আহমেদ ৩০ অগাস্ট ২০১৮ পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়ে একটি আদেশ জারি করেন। শুরুতেই জিয়া উদ্দিন আহমেদ লেখক সাংবাদিক সজীব আকবরের লেখার সাথে সহমত পোষণ করেন। আর আদেশ নামায় বলা হয় প্রত্যেকে তাদের নিজ নিজ পোস্টার ব্যানার বিজ্ঞাপন ব্যক্তি উদ্যোগে খুলে ফেলবেন এবং বৃক্ষের বুকে বিদ্ধ ৫ ইঞ্চি পেরেক গজাল স্টিলনেস হুক যত্নসহকারে তুলে ফেলার হুকুম জারি করেন। সেই থেকে জেলার গাছপালা পোস্টার শূন্য, পেরেক শূন্য হয়ে নীর্মল সমীরণ উপহার দিচ্ছে মানব ও প্রাণীকূলকে।
সাংবাদিক সজীব আকবরের টানা তিন যুগের অভিজ্ঞতায় রয়েছে হাজার হাজার সফল লেখার উদাহরণ। তো কোনটার কথা বলবো?
এখনো জুম্মায় জুম্মায় ৮ দিনও হয়নি এমন গ্রাম্য হকার মার্কা টেলিসামাদরা যদি আকবর ওস্তাদজীর মতো গুণী লেখকদের সাংবাদিকতা শেখাতে আসেন বা কথিত সাংবাদিক আর চাঁদাবাজ আখ্যায়িত করার ব্যর্থ অপপ্রয়াস চালান তো তাদেরকে ধিক্কার জানাবার ভাষা আমার তহবিলে নেই?
আপনাদের অবগতির জন্য বলছি যে ১৯৯৫ সাল থেকে সাংবাদিক সজীব আকবর রীতিমত মোটা অংকের বেতন পেয়ে আসছেন। বর্তমানে সজীব আকবর লোকাল পত্রিকার বার্তা সম্পাদক বা নির্বাহী সম্পাদকের পদছাড়া কারো হাউজে বসেন না এবং মিনিমাম মাসে বেতন নেন ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা।
যা টেলিসামাদ মার্কা সাংবাদিকদের কল্পনারও অতীত। ওরা তো ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ায়। আর চামচামো করে ঐ সমস্ত গ্রাম্য বিতর্কিত জনপ্রতিনিধিদের, যাদের হাতে পায়ে জামা কাপড়ে এখনো লেগে আছে নীরিহ মানুষের রক্তের দাগ। তো আর কথা নয়, কথা হবে আদালতে। আজ রজু হবে ৫০ কোটি টাকার মানহানী মামলা।
কি ঘটেছিলো ২১ মে নান্দবার গ্রামেঃ সাংবাদিক সজীব আকবর, এমডি আরিফ, বিপ্লব চৌধুরী বেলা ১১টার সময় রওনা হন আসমানখালীর নান্দবার গ্রামে। যেখানে পাকা সড়ক ঘেঁষে মাটি ও বালি কেটে পাচার করছে গাংনীর তিন নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার সেন্টু। দেশের কৃষি ভূমি বন পরিবেশ ও সড়ক ও সেতু বিভাগের আইনে মাটি কাটা ও বিক্রি সম্পূর্ণ নিষেধ। আর বালি কাটা উত্তোলন বিক্রি বা দানের ক্ষেত্রেও আছে চরম নিষেধাজ্ঞা। শুধুমাত্র গৃহস্থরা সরকারি রাস্তার কাজে বালি সাপ্লাই করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রেও একটি আইন আছে। সবথেকে নিকটতম গৃহস্থকে বালি সাপ্লাইয়ে অগ্রাধিকার দেয়া আছে। পরিবহন খরচ সাশ্রয় করতেই মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন অনেক আগেই জারি করেছেন। তো কাজ চলছে ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডে আর ক্ষমতা কুক্ষিগত করে টুপাইস ধান্দার আশায় চেয়ারম্যান তার পকেটের লোক মেম্বার সেন্টুকে দিয়েছে মৌখিক বালি সাপ্লাই এর অনুমতি। অথচ আইন মোতাবেক ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের গৃহস্থদের কাছ থেকে বালি নেওয়াটা বাধ্যতামূলক ও আইনসিদ্ধ। তো গলদটা কোথায় পাঠক নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন?
আর সময়ের সমীকরণ কোন তথ্য উপাত্ত বা ভিডিও ফুটেজ বা স্টিল ছবি যদি থাকে তাহলে বিজ্ঞ আদালতে পেশ করার নির্দেশ আসবে খুব শিঘ্রই। আর প্রমাণ দেখাতে ব্যর্থ হলে কেনো সরকার বিরোধী ও রাজাকার ঘরনার এ পত্রিকার ডিক্লেয়ারেশন বন্ধ করা হবেনা তাও জানতে চাওয়া হবে বিজ্ঞ আদালতের মারফতে আইনি প্রক্রিয়ায়।
( আরো জানতে সাথেই থাকুন)