এ,কে,আজাদ (দিনাজপুর, খানসামা, প্রতিনিধি): যেহেতু নির্বাচন ডিউটিতে বেশির ভাগ বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি বাহিনীর সদস্য ও সদস্যা ডিউটি পালোন করে। তাই নিজের দেশের মানুষের নিরাপত্তায় ও বাহিনীর সুষ্ঠু ভাবমুর্তি সুরক্ষায় সচেতনতার কোন বিকল্প নেই। নির্বাচন কমিশন জাতীয় নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করেছে। আনসারকে অনেক সচেতন ভূমিকায় কাজ করতে হবে। বাংলাদেশের ইতিহাসে সব থেকে গুরুত্ত্বপূর্ণ সময় হল নির্বাচন পূর্ববর্তী ও পরর্বতী সময়। এ সময় আইন শৃঙ্খলায় নিয়োজিত বিভাগ বিশেষ করে আনসার বিভাগের উপর বাড়তি ডিউটির চাপ পড়ে। একই সাথে কিছু ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা দলের আক্রোশের শিকার হয় আনসার বাহিনী । সার্থন্বেশী কিছু মহল সবসময় চেষ্টা করে আনসার বাহিনীকে একটা প্রশ্নের মুখে ফেলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাছিল করে নেয়া। সকল আনসার সদস্যদের এ সময় সচেতন অবস্থায় তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে কোন প্রকার উস্কানিমুলক কাজে নিজেকে ইনভলব করা যাবে না, কোন বিষয়কে অবহেলা বা কম গুরুত্ত্বপূর্ণ ভাবা ঠিক হবে না। যে কোন প্রকার সমস্যায় নিজে নিজে সিদ্ধান্ত না নিয়ে চেষ্টা করুন সিনিয়র বা সাথীদের পরামর্শ নিতে।

আপনার আশপাশের সকলের মোবাইলের নাম্বার নিজ সংরক্ষণে রাখুন, যাতে যে কোন প্রয়োজনে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন করুন। ডিউটিরত অবস্থায় স্যোসাল মিডিয়া ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
সমস্যা সৃষ্টি বা আনসারকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দেয় এমন পোস্ট দেয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখুন। কোথায় ডিউটি করছেন, কি ডিউটি করছেন, কতজন আছেন ইত্যাদি বিষয়গুলো কখনই পোস্ট করবেন না।
নিজের নামে ইস্যু করা অস্ত্রগুলির প্রতি সচেতন হোন, ব্যবহারের সময় লক্ষ্যবস্তু ঠিক রেখে ব্যবহার করুন।
সব সময় ডিউটি শেষে চেষ্টা করুন বিশ্রাম করতে, কারণ আবার কখন ডাক পড়বে জানা নেই। পরে বিশ্রাম করার সুযোগ নাও পেতে পারেন।
সচেতনতার সাথে ডিউটি করুন, দেশ ও দশের কল্যাণে এগিয়ে যান প্রতিটি মুহুর্ত । মনে রাখবেন এই দেশ অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে। আনসারের রাইফেল থেকে প্রথম প্রতিরোধের গুলি বর্ষণ করা হয়েছিলো শত্রুদের বিরুদ্ধে। কোন অন্যায়ের সাথে আনসারের আপোষ নয়। দেশের শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকতে হবে আমাদের। শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার যে শপথ নিয়ে আমাদের অগ্রযাত্রা তা যেন প্রতিপালিত হয় সকল ক্ষেত্রে, সবসময়।