২২, আগস্ট, ২০২০, শনিবার | | ৩ মুহররম ১৪৪২

১৪ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ, তিস্তার পানি কমলেও বানভাসিদের দুর্ভোগ কমেনি

আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৯

  • Facebook Share
১৪ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ, তিস্তার পানি কমলেও বানভাসিদের দুর্ভোগ কমেনি

মোঃ নাঈম শাহ্, নীলফামারী প্রতিনিধিঃ তিস্তা নদীর পানি কমলেও এখনও নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার কয়েকটি চর গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ পানি বন্দী রয়েছেন। এইসব মানুষজনের মাঝে শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির অভাব দেখা দিয়েছে। এদিকে গত তিন দিন ধরে বন্যাকবলিতদের মাঝে সরকারী ভাবে যে চাল, নগদ অর্থ ও শুকনা খাবার বিতরন করা হয়েছে তা চাহিদার তুলনায় কম বলে জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। চলমান বন্যায় ডিমলা উপজেলার ১৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম তিন দিন ধরে বন্ধ রয়েছে বলে জানান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ওসমান গণি নীলফামারীর ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সর্তকীকরন কেন্দ্র জানায় তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে সোমবার বিকেল ৩টায় ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এই পয়েন্টে বিপদসীমা ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার। অথচ শনি ও রবিবার এই পয়েন্টে  তিস্তার পানি বিপদসীমার ৩৫ থেকে ৪৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। যার ফলে ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছ চাঁপানী ইউনিয়নের ফরেস্টের চরের সাতশত পরিবার, ভেন্ডাবাড়ি চরের দুইশত পরিবার, খালিশাচাপানীতে এগারোশত পরিবার, খগাখড়িবাড়িতে তিনশত পরিবার, ও পূর্বছাতনাইয়ে ৮৯২ পরিবার পানি বন্দী হয়ে পড়ে। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, সোমবার বিকেল পযর্ন্ত তিস্তার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেনি। উজানে ঢল বাড়লে যে কোন সময় তিস্তার পানি আবারও বৃদ্ধি পাবে বলে জানান    তিনি ।