২২, এপ্রিল, ২০২১, বৃহস্পতিবার | | ১০ রমজান ১৪৪২

যৌতুকের দাবিতে শারীরিক নির্যাতন শিকার হয়ে বলী হলেন ৩ মাসের অন্তঃসত্বা তানিয়া

আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৯

  • Facebook Share
যৌতুকের দাবিতে শারীরিক নির্যাতন শিকার হয়ে বলী হলেন ৩ মাসের অন্তঃসত্বা তানিয়া

খোরশেদ আলম< বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রামঃ

যৌতুকের দাবিতে শারীরিক নির্যাতন শিকার হয়ে বলী হলেন ৩ মাসের অন্তঃসত্বা তানিয়া।

নিহত তানিয়া কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের আমির বলির বাড়ির নুরুল আবছারের মেয়ে। এই বছরের জানুয়ারিতে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় বান্দরবান জেলার আলীকদম থানার ১ং ওয়ার্ডের সিলেটি পাড়ার জসিম মাষ্টারেরর বাড়ির নরুল ইসলামের পুএ আবদুর রহমান মিনারের সাথে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরে তানিয়াকে যৌতুকের ১ লক্ষ টাকা চেয়ে প্রায় সময় শারীরিক ভাবে নির্যাতন করে আসছিল তার পরিবার, তানিয়া বাপের বাড়ি আসলে আর যেতে চাইতো না, কেন জিজ্ঞেস করলে বলে টাকার জন্য তার স্বামী প্রায় সময় মারধর করেন, যৌতুকের ১ লক্ষ টাকা চেয়ে তানিয়াকে শারীরিকভাবে নির্যাতন, মারধর করে।

চকরিয়া বাসস্টেশন থেকে হানিফ পরিবহনে একা তুলে দিয়ে তানিয়ার বাবাকে ফোন করে বলেন, তাকে আকতারুজ্জামান ( মজ্জারটেক) থেকে তাকে নেওয়ার জন্য। তানিয়া আসলে তার গায়ে নির্যাতনের, মারধরের দাগ দেখতে পান বাবা, তার শরীরের অবস্থা খারাপ দেখে বাবা প্রথমে স্থানীয় এক মহিলা ডাক্তার কে দেখালে তাকে মেডিকেলে ভর্তি করার জন্য বলেন। পরে ৯ জুলাই চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি করালে ১০ জুলাই দুপুর ১ টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এই বিষয়ে নিহত তানিয়ার মা সময়ের কন্ঠকে জানান,যৌতুক হিসাবে ১ লক্ষ টাকা চেয়ে আমার মেয়েকে শারীরিক ভাবে নির্যাতন করে, মারধর করে একা গাড়ি করে পাঠিয়ে দেয়, পরে মেয়ের শরীরের অবস্থার অবনতি দেখে মেডিকেল ভর্তি করালে ৩ মাসের অন্তঃসত্বা অবস্থায় মারা যায়। আমি এই নির্যাতন, হত্যার সুষ্ঠুভাবে বিচার চাই। 

নিহত তানিয়ার চাচা বলেন, এই হত্যার বিচার চাই, সমাজে যাতে এই ধরনের আর যৌতুকের জন্য নির্যাতনের শিকার ও হত্যা হতে না হয়।

এই বিষয়ে ইউ পি মেম্বার বলেন, যৌতুকের জন্য এই ধরনের জগন্য কাজ যাতে সমাজে যাতে না হয়, তিনি সুষ্ঠু তদন্ত নিয়ে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করেন।

য়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ শামসুল তাবরীজ বলেন,উপজেলার পক্ষ থেকে ব্যবস্থা গ্রহন করেছি এবং তানিয়া পরিবার আমাদের কাছে আসলে আমরা তাদের আলীকদম থানায় মামলা করতে বলি। এতো মধ্যে  বান্দরবন জেলার প্রশাসনের সাথে আমার কথা হয়েছে, তাদের অনুরোধ করি যাতে আসামীদের যত দ্রুত সম্ভব গ্রেফতার করা হয়। 

 আমরা খবর নিয়ে জানতে পারি ৩ জন গ্রেফতার করছে পুলিশ, আমরা আশাবাদী আসামীদের আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হবে।