২৩, আগস্ট, ২০২০, রোববার | | ৪ মুহররম ১৪৪২

দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত পেয়ারা বাগান ও ভাসমান পেয়ারা হাট

আপডেট: জুলাই ২৬, ২০১৯

  • Facebook Share
দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত পেয়ারা বাগান ও ভাসমান পেয়ারা হাট

নাঈমুর রহমান শান্ত, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ঝালকাঠির পেয়ারা বাগান ও ভাসমান পেয়ারা হাট। মূলত  ঝালকাঠি, স্বরূপকাঠি ও বানারিপাড়া উপজেলার সীমান্তে ৫৫টি গ্রাম নিয়ে কয়েক হাজার একর জমির উপর গড়ে উঠেছে এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম এই  পেয়ারা বাগান। এখানকার প্রায় ২০ হাজার পরিবার সরাসরি পেয়ারা চাষের সঙ্গে জড়িত৷ পেয়ারার মৌসুমে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানা বয়সের মানুষ পেয়ারা বাগান দেখতে চলে আসেন। বিশেষ করে শুক্র ও শনিবার সবচেয়ে বেশি পর্যটকের সমাগম ঘটে এখানে। দেশি পর্যটকদের পাশাপাশি এ পেয়ারা বাগানে বিদেশি পর্যটকরাও আসছেন। পেয়ারা চাষীদের ঘাম ঝড়ানো সফলতার গল্প শুনতে চলতি বছরের ১১ জুলাই ঝালকাঠি সদর উপজেলার ভীমরুলি গ্রামের ভাসমান পেয়ারা হাট পরিদর্শন করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার। ২০১৮ সালে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত হর্ষবর্ধন শ্রীংলা ভাসমান এই পেয়ারা হাট পরিদর্শন করেন। এছাড়াও  তাঁরকা, শিল্পী, অভিনেতা, খেলোয়ারাসহ নানা শ্রেণীর পেশার মানুষ এখানে ঘুরতে আসেন। চারপাশে সবুজের সমারোহ প্রকৃতি প্রেমীদের  মুগ্ধ করে দেয়। ভ্রমণকারীদের জন্য পেয়ারা বাগানের মধ্যেই কয়েকটি পার্ক গড়ে তুলেছে স্থানীয় কয়েকজন যুবক। পার্কের ভিতর রয়েছে দোলনা, গোলপাতার তৈরি  কটেজ, সারি সারি বেঞ্চ ও টেবিল।  টিকিট কেটে পার্কে প্রবেশ করে যতখুশি পেয়ারা পেরে খাওয়া যায়। নৌকা কিংবা ট্রলারে চড়ে পেয়ারা বাগান সংলগ্ন খালে ঘুরে বেড়ান দূর-দূরান্ত থেকে আসা তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন শেণীপেশার মানুষ।

ঝালকাঠি শহর হতে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে ভিমরুলি গ্রামে বসে ভাসমান পেয়ারা হাট।  হাটে সকাল হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত  পেয়ারা বেচাকেনা চলে। পেয়ারা চাষিরা নৌকা বোঝাই পেয়ারা নিয়ে ক্রেতা খুঁজে বেড়ান। ক্রেতাদের বেশিরভাগই হল পাইকার। বড় বড় ট্রলার নিয়ে পাইকাররা বাজারে আসেন। ছোট ছোট নৌকা থেকে পেয়ারা কিনে ঢাকা ও অন্যান্য শহরে চালান করে দেন।