আপডেট: নভেম্বর ২৯, ২০১৮

আপডেট:

কর্মজীবনের সূচনা প্রথমে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে জনতাবাজারস্থ কওমী মাদরাসার এবং পরে সোনাইমুড়ি বাংলাবাজারে পাঁচপাড়া আহমদিয়া মাদরাসার সিনিয়র উসতায হিসেবে। এরপরে গত ২০১৬ সালে আলাইয়ারপুরের মিয়াপুরে নিজেই প্রতিষ্ঠা করেন “মাদরাসায়ে নূরিয়া আজিজুল উলূম নোয়াখালী”। কয়েকবছরের মধ্যে দক্ষ পরিচালনায় মাদরাসাটি দিন দিন এলাকাবাসীর আস্থার প্রতীক হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তাঁর ঐকান্তিক তত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে “রামপুর চৌরাস্তার মারকাযুন নূর মহিলা মাদরাসা”টিও।
পাশাপাশি খতীব হিসেবে অত্যন্ত সুনামের সাথে কয়েকবছর দায়িত্ব পালন করেন সোনাইমুড়ি বাংলাবাজার কেন্দ্রীয় মসজিদে। বর্তমানে চৌমুহনী পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের কিসমত করিমপুর জামে মসজিদে প্রশংসার সাথে খতীবের দায়িত্ব পালন করছেন।
ছাত্রকাল থেকেই তাঁর নানাবিধ প্রতিভায় সবাই মুগ্ধ হতো। সুমধুর কণ্ঠে যাদুময়ী ওয়াজ-বক্তব্য তার প্রধান বৈশিষ্ট্য। বৃহত্তর নোয়াখালী সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় দীনের বাণী প্রচারে তার ওয়াজ-নসীহতের ভূমিকা বেশ প্রশংসনীয়। বিশেষ করে নিজ উপজেলা বেগমগঞ্জের এমন কোনো পাড়া-মহল্লা পাওয়া যাবে না, যেখানে তার দরদী কণ্ঠের সুর বেজে উঠেনি! চমৎকার উপস্থাপনাশৈলির কারণে দীনদার ভক্ত-শ্রোতাদের কাছে ভালোবাসার প্রিয় ব্যক্তিত্ব তিনি।
একাধারে দীনের সকল বিভাগে রয়েছে তার সরব পদচারণা। দাওয়াতে তাবলীগ, এত্তেহাদুল ওয়ায়েজীন পরিষদ, কাওমী মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডসহ বেগমগঞ্জের আলেমদের প্রতিনিধিত্বশীল সকল ক্ষেত্রে রয়েছে তার সক্রীয় অবস্থান। সকল মতের সকলের সাথেই তিনি সমান হারে আন্তরিক ও সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখেন।।
ছাত্র যমানায় দাওয়াতে তাবলীগের চিল্লা লাগানো এবং অন্যান্য দাওয়াতী মেহনতের পাশাপাশি ছাত্র সমাজের নৈতিক অবক্ষয় রোধে ও তাদেরকে আদর্শ-দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের ধারাবাহিক কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন। সর্বশেষ তিনি বেগমগঞ্জ থানা সভাপতি এবং নোয়াখালী জেলা শাখার ছাত্রকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।
মাওলানা নূরুদ্দীন আমানতপুরী (হাফিজাহুল্লাহ) দীর্ঘদিন থেকে সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে বেগমগঞ্জ থানা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
ব্যক্তিগত জীবনে ৩ সন্তানের জনক এলাকার নেতৃত্বশীল প্রভাবশালী ও সম্পদশালী এ তরুণ ব্যক্তিত্ব তিনি।