১০, মে, ২০২১, সোমবার | | ২৮ রমজান ১৪৪২

চালকদের ‘ডোপ টেস্ট’ ডিসেম্বর থেকে শুরু

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯

চালকদের ‘ডোপ টেস্ট’ ডিসেম্বর থেকে শুরু

সামিউল্লাহ, কোতয়ালী (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ

মাদকাসক্ত চালকদের চিহ্নিত করতে আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে রাজধানীতে চালকদের ‘ডোপ টেস্ট’ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ। এ সময় তিনি বলেন, ডোপ টেস্টে ধরা পড়লে চালকের লাইসেন্স বাতিলের পাশাপাশি জেলও হতে পারে। রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এই টেস্ট করা হবে বলে জানান তিনি। 

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে রাজধানীতে গণপরিবহনের শৃঙ্খলা ফেরানো এবং সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাসের লক্ষ্যে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের বিশেষ যৌথ সভায় তিনি একথা জানান।  

খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, ডোপ টেস্টে কেউ ধরা পড়লে জেল দেওয়া হবে। সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের থাকবে। পাশাপাশি ডোপ টেস্টের সরঞ্জামও থাকবে। তিনি বলেন, আমরা চুক্তি ভিত্তিক গাড়ি চলাচল বন্ধের জন্য কাজ করছি। চুক্তি ভিত্তিক গাড়ি চলাচল বন্ধে কাউন্টার ভিত্তিক বাস চলাচলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে বসিলা থকে মতিঝিল পর্যন্ত এটি বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান তিনি। 

তিনি আরও জানান, ‘দুই মেয়র ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। এক স্টপেজ থেকে অন্য স্টপেজ পর্যন্ত গাড়ির দরজা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। ৮ থেকে ৯ কিলোমিটার বেগে গাড়ি চললে কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, এর অন্যতম কারণ চুক্তি ভিত্তিক গাড়ি চালানো, অসম প্রতিযোগিতা ও মাদক।’ 

এছাড়া কোনো চালক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলে লাইসেন্স দেওয়া হবে না। এ জন্য পাঁচ লাখ চালক তৈরির জন্য সরকার কাজ করছে। অভিযোগ করে খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, ভুয়া লাইসেন্সে চাকরি হচ্ছে চালকদের। এসব ভুয়া লাইসেন্স, লাইসেন্স বিহীন অথবা কাগজপত্র ছাড়া কোনো চালক যদি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটায় তাহলে তার বিরুদ্ধে ৩০২ ধারায় মামলা হবে। মালিকরাও এ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। কিভাবে গণপরিবহনকে চাঁদামুক্ত করা যায় সে বিষয়েও আলোচনা চলছে। রাজধানীতে ৪০ শতাংশ চালক মাদকাসক্ত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এই নেতা আরও বলেন, ‘আমরা অনিয়মে ভরপুর। আমরা কোনো নিয়মের মধ্যে আসতে পারিনি। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে আর পরিবহন পিছিয়ে যাচ্ছে।’