২৩, আগস্ট, ২০২০, রোববার | | ৪ মুহররম ১৪৪২

বাবার স্কুলে মেয়েকে প্রশ্নফাঁস করে পরীক্ষা দেওয়ার অভিযোগ

আপডেট: অক্টোবর ২৩, ২০১৯

  • Facebook Share
বাবার স্কুলে মেয়েকে প্রশ্নফাঁস করে পরীক্ষা দেওয়ার অভিযোগ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার পারকৃষ্ণগোবিন্দপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের (গোলাপেরহাট) প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, ২১ অক্টোবর সোমবার উক্ত বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণির মডেল টেষ্টের সমাজ বিষয়ের পরিক্ষা ছিল। কিন্তু প্রধান শিক্ষক আল মেহেদী হাসান রেণু সেইদিন তার মেয়েকে ধর্ম বিষয়ে পরীক্ষা নেন তার নিজ কক্ষে।৮ম শ্রেণির বাকী প্রায় ১০০ শিক্ষার্থী সমাজ পরিক্ষা দেয়।২২ অক্টোবর মঙ্গলবার সকল পরিক্ষার্থী ধর্ম পরিক্ষা দিলেও প্রধান শিক্ষকের মেয়ে মোসাঃ নওসিন শারমিন (নিশাত) সমাজ পরিক্ষা দেয়।পরিক্ষা চলাকালীন সময় ২২ অক্টোবর জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল লতিব ও একটি গোয়েন্দা সংস্থা উক্ত বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রশ্নফাঁসের সত্যতা খুঁজে পান।এবিষয়ে এলাকায় ব্যাপক গুঞ্জন ও অভিভাবকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।এবিষয়ে এক ছাত্রীর অভিভাবক জানান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একজন স্বেচ্ছাচারী। নিজের মেয়েকে ১ম করার জন্য তিনি সবসময় দুর্ণীতির আশ্রয় গ্রহণ করেন।এনিয়ে শিক্ষকদের মাঝেও দ্বিধাবিভক্ত বিরাজমান। এইমর্মে জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল লতিব বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২২ অক্টোবর মঙ্গলবার ১২ দিকে এনএসআই এর এক কর্মকর্তা তাকে নিয়ে ঐ স্কুলে যান। সেখানে গিয়ে প্রশ্নফাঁসের সত্যতা পাওয়া যায়।তিনি আরও বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে এবিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক ও নামোশংকরবাটি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসলাম কবির বলেন, ঘটনা সত্য।যেহেতু এটা ঐ বিদ্যালয়ের আভ্যন্তরীণ পরিক্ষা, তবুও তিনি যা করেছেন তা নিন্দনীয় বিষয়। এটা সমর্থনযোগ্য নয়। তিনি এ ঘটনায় নিন্দা জ্ঞাপণ করেন।ঐ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মামুন অর রশিদ (মমিন) বলেন, ঘটনা সত্য।তিনি অতিসত্বর একটি সভা ডেকে এবিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন।এবিষয়ে প্রধান শিক্ষক আল মেহেদী হাসানের বক্তব্য নেয়ার জন্য তার মোবাইলে বেশ কয়েকবার রিং দিলেও তিনি মোবাইল রিসিভ করেননি। তাই তার বক্তব্য দেয়া সম্ভব হলনা।