১১, আগস্ট, ২০২০, মঙ্গলবার | | ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

ঝালকাঠি ও নলছিটি হানাদার মুক্ত দিবস আজ

আপডেট: ডিসেম্বর ৮, ২০১৯

  • Facebook Share
ঝালকাঠি ও নলছিটি হানাদার মুক্ত দিবস আজ

   আরিফুর রহমান আরিফ ::  আজ ঝালকাঠি ও নলছিটি হানাদার মুক্ত দিবস। যুদ্ধকালীন এখানে কমপক্ষে ১০ হাজার লোককে হত্যা করা হয় । বন্দরে আগুন লাগিয়ে কোটি কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট করে হানাদাররা। রাজধানী ঢাকার পরে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল ঝালকাঠি।একাত্তরের এই দিনে ঝালকাঠি জেলা সম্পুর্নভাব শত্রুমুক্ত হয়। ঘরে ঘরে ওড়ে বিজয়ের লাল সবুজের পতাকা ।

ঝালকাঠির রনাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা মফিজ উদ্দিন জানান, জেলার নলছিটি উপজেলায় রনাঙ্গন একমাত্র সম্মুখ যুদ্ধ্স্থান চাচৈরের প্রচন্ড বেগে যুদ্ধ শুরু হয় ১৩ নভেম্বর। এ যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে। মুক্তিযোদ্ধা আউয়াল এ যুদ্ধে শহীদ হলেও বহু পাকসেনা প্রাণ হাড়ায়। নলছিটি ১৫ নভেম্বর থানা কমান্ডার সেকান্দার আলীর নেতৃত্বে নলছিটি থানা আক্রমন হয়।সেখানে শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান মাহমুদ চৌধুরীর মেয়ে সহ কয়েক হানাদার প্রাণ হারায়। ৭ ডিসেম্বর রাতে শহরে র্কাফু ঘোষনা করে । এদিন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সেকান্দার আবার থানা আক্রমন করে। এতে পাকসেনা, রাজাকার, আলবদরদের পরাজয় ঘটে। তাই সব বাহিনীকে নিরস্ত্র করে মুক্তিযোদ্ধারা তালতলা ক্যাম্পে নিয়ে যায়। পরদিন ৮ ডিসেম্বর সকালে যাকে দেখা যাবে তাকেই গুলি করে হত্যা করা হবে । আর এ র্কাফু ঘোষনা দিয়ে পাকবাহিনী ঝালকাঠি শহর ছেড়ে পালিয়ে যায়। বিকেলে স্থানীয় রাজাকাররা মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে আত্মসর্মাপন করে। সে দিন সন্ধ্যায় মুক্তিযোদ্ধারা ঝালকাঠি সদর ও নলছিটি থানা দখলে নেয়। এরপর পুরো জেলা মুক্তিযোদ্দাদের নিয়ন্ত্রনে চলে আসে।