১৮, এপ্রিল, ২০২১, রোববার | | ৬ রমজান ১৪৪২

নীলফামারীতে ১০ গ্রামের ভরসা বাঁশের সাঁকো এলাকাবাসির দাবী কবে হবে ব্রীজ

আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২০

  • Facebook Share
নীলফামারীতে ১০ গ্রামের ভরসা বাঁশের সাঁকো এলাকাবাসির দাবী কবে হবে ব্রীজ

মোঃ নাঈম শাহ্, নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
১০ গ্রামের প্রায় ৩২ হাজার মানুষের একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো। ব্রীজের দাবীতে এলাকাবাসি ফুঁসে উঠেছে, ওই এলাকার পথচারীদের দাবী কবে হবে বাঁশের সাঁকো পাল্টিয়ে, ব্রীজ নির্মান। ব্রীজ নির্মান হলে পাল্টে যাবে ১০ গ্রামের মানুষের জীবন মান। নীলফামারী সদর উপজেলার লক্ষীচাপ ইউনিয়নের দুবাছুরী মালিপাড়া বটতলী গ্রামের বুড়িখরা নদীর ওপরে বাঁশের সাঁকোটি। নীলফামারী জেলা শহড়ে যাওয়ার ১০ গ্রামের মানুষের একমাএ ভরসা এই বাঁশের সাঁকোটি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সাঁকো দিয়ে পাড় হয়ে প্রতিদিন নীলফামারী জেলা শহরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় যাতায়াত করেন হাজার হাজার শিক্ষার্থী লক্ষীচাপ,শিমুলবাড়ী,ধর্মপাল দুবাছুরি,দাঁড়িহারা,বালার পোকর,খেরকাটি,বগুড়াটারী,শেওটগাড়ী গ্রামের ৩২ হাজার মানুষ অনেক কষ্ট করে ওই বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করছেন। সাঁকোর রাস্তাটি লক্ষীচাপ ইউনিয়ন থেকে জেলার বিভিন্ন বড় বড় সড়কের সাথে সংযোগ হয়েছে। অনেক সময় ব্যবসায়ীদের মালামাল পারাপারের জন্য বাঁশের সাঁকোটি মরণ ফাঁদ হয়ে দাঁড়ায়। সাঁকো ভেঙ্গে মাঝেমধ্যে অনেক লোকজন নদীতে পড়ে গিয়ে আহত হন। তার পরেও দুরদুরান্ত থেকে আসা এবং ওই এলাকার মানুষ অনেক কষ্টে চলাফেরা করছে। একটি ব্রীজের জন্য জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন দপ্তরে ধর্ণা দিয়েও কোন প্রতিকার পায়নি।
ককই বড়গাছা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গণপতি রায় বলেন,অনেক কষ্ট করে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সাঁকোর উপড় দিয়ে পারাপার হন,মাঝে মধ্যে দুর্ঘটনার স্বীকার হয়ে থাকেন শিক্ষার্থী সহ সাধারণ মানুষ। ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জীবন রায়, স্বপনা রাণী, পথচারী নকুল রায় ও বাবু জানান ,প্রয়োজনের তাগিদে আমরা এই সাঁকোর ওপর দিয়ে অনেক ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করি। আমরা যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কবলে পড়তে পারি।  লক্ষীচাপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান জানান, আমার ইউনিয়নের এই সাঁকোটি মানুষের জন্য একটি মরণ ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমি নিজেই ভুক্তভোগী, প্রতিদিন এই সাঁকোর ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয়। এই বুড়িখরা নদীর ওপরে একটি ব্রীজ হলে হাজার হাজার মানুষের যাতায়াতের সুবিধার পাশাপাশি ১০ গ্রামের মানুষের অবস্থার উন্নতি হবে। এ বিষয়ে এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী বেলাল হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, বুড়িখরা নদীর ওপরে এ ব্রীজ সম্পর্কে আমার জানা নেই। তিনটি ব্রীজের তালিকা আছে, তবে মনে হয় এটি নেই,আমি কিছু বলতে পারছিনা।