আপডেট: ডিসেম্বর ২৫, ২০১৮

আপডেট:

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক করার লক্ষ্যে গত ২৪ ডিসেম্বর থেকে সারাদেশের ন্যায় সাতক্ষীরায়ও সেনাবাহিনীর টহল অব্যাহত আছে| দেশের সর্বোচ্চ সামরিক বাহিনীকে তোয়াক্কা না করে সদরে নৌকা সমর্থকরা তাদের সহিংস কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে | সদরের বিভিন্ন ইউনিয়নের স্থানীয় আওয়ামী লীগ-যুবলীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ বিধি লংঘনের একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে| কোথাও আবার সেনাবাহিনীকে অবমাননা করে বক্তব্য দেয়ার অভিযোগও উঠেছে আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে | ২৫ শে ডিসেম্বর মঙ্গলবার আগরদাঁড়ি ইউনিয়নে সেনাবাহিনীর টহলের ৩০ মিনিট পর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি জনি, সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল,ছাত্রলীগকর্মী আজমল, মুসা, সম্রাট সহ২০-২৫ জনের হেলমেট বাহিনীর ইউনিয়নের ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে মহড়া দেখা যায় |তখন তাদের কাছে হকিস্টিক,জিআই পাইপ সহ অন্যান্য লাঠিসোটা দেখা যায় | সরেজমিনে দেখা গেছে যে, এই হেলমেট বাহিনী আগরদাঁড়ি গ্রামের একাধিক জায়গায় ধানের শীষের পোস্টার ছেড়ে দিয়েছে| অন্যদিকে সদরের ইন্দি্রা গ্রামে রোকেয়া নামে এক গৃহিণীকে হকিস্টিক দিয়ে মাথায় আঘাত করে অজ্ঞান করে দিয়েছে| একই গ্রামের গোলাম কুদ্দুস সহ অনেক কে মারধর করেছে ও ৩০ তারিখ ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার হুমকিও দিয়েছে| অন্যদিকে বাঁশদহা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে গতকাল নৌকার নির্বাচনী জনসভায় আওয়ামী লীগের সভাপতি রিপন হোসেন “সেনাবাহিনীকে অবমাননা” করে প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে| এদিকে সদরের ঘোনা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান ১৫থেকে ২০ জনের একটি বাহিনী সহ চাইনিজ কুড়াল দা রামদা প্রভৃতি নিয়ে এলাকায় ভীতিকর পরিবেশ তৈরির জন্য অস্ত্র মহড়া ও ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে নৌকায় ভোট দেয়ার জন্য প্রতিদিন হুমকি দিয়ে যাচ্ছে বলে এলাকাবাসীরা জানান| প্রতিবেদনটি সংগ্রহ করতে গিয়ে সদরের বিভিন্ন এলাকায় জনসাধারণের মাঝে ব্যাপক ভীতি ও উদ্বেগ লক্ষ্য করা গেছে | উল্লেখ্য যে, গত ১৬ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা-৪আসনের ধানের শীষের প্রার্থী গাজী নজরুল ইসলামকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে| আজ পরিবার জেল গেটে সাক্ষাৎ করতে গেলে সেখান থেকে গাজী নজরুলের স্ত্রী ও মেয়েকে বিনা ওয়ারেন্টে পুলিশ জেলগেট থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়|