আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০১৯

আপডেট:

মোঃ খোরশেদ আলম( কুমিল্লা প্রতিনিধি) :
রসমলাই, মালাইকারী ও স্পঞ্জ মিষ্টি নিয়ে পরাজিত প্রার্থী অামিন উর রশীদ ইয়াছিনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন কুমিল্লা-৬ (অাদর্শ সদর উপজেলা, সেনানিবাস ও সিটি কর্পোরেশন) অাসন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে তৃতীয় বারের মত নির্বাচিত সংসদ সদস্য অা ক ম বাহাউদ্দিন বাহার। এর মধ্য দিয়ে রাজনীতিতে অন্যন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন কুমিল্লা মহানগর অাওয়ামীলীগের সভাপতি এমপি বাহার। গতকাল পৌনে ১২টায় মুন্সেফ বাড়ি থেকে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার শামবকসী এলাকায় অবস্থিত হাজী অামিন উর ররশিদ ইয়াছিনের শিল্পকারখানা লালমাই ফুটওয়্যার লিঃ এর উদ্দেশ্য যাত্রা করেন তিনি। এমপি বাহারের গাড়ি গেটে পৌছা মাত্রই অামিন উর রশীদ নিচে নেমে এসে হ্যান্ডশেক করেন, তারপর উপরে নিয়ে যান। সৌজন্য সাক্ষাতে তারা দুজনে মিলে মিষ্টি খেয়েছেন, কুশল বিনিময় করেছেন, জড়িয়ে ধরেছেন, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মেতে উঠেছিলেন হাসি-ঠাট্টায়। সৌজন্য সাক্ষাতের শুরুতেই এমপি বাহার হাজী ইয়াছিন কে ভাই বলে সম্বোধন করেন।অালাপচারিতায় এমপি বাহার তাঁর রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন, ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে কিভাবে তাঁকে রাজনীতি থেকে সড়িয়ে রাখার অপচেষ্টা করা হয়েছিলো, অন্যায়ভাবে হত্যা মামলায় জড়িয়ে ফেলা হয়েছিলো। এমপি বাহার বলেন, অামি প্রতিহিংসার রাজনীতি পছন্দ করি নাহ। কুমিল্লাতে অামি শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চাই। অামি কুমিল্লার সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে তাঁদের জন্য রাজনীতি করি।অামার অনেক কর্মী ছিলো, যাদের তিল তিল করে গড়ে তুলেছিলাম। অামি এমপি হওয়ার পর, অামার ক্ষমতার অপব্যবহার করে, মানুষের যায়গা দখল করেছিলো, অর্থের লোভে তাঁরা অাদর্শ ভুলে গিয়েছিলো। তখনি, অামি তাঁদের বের করে দিয়েছি।তিনি বলেন, এক সময় কুমিল্লায় অনেক মাস্তান ছিলো, চাঁদাবাজ ছিলো। অামি এমপি হওয়ার পর, সব মান্তান শেষ। কুমিল্লাতে কোন চাঁদাবাজি নেই। শান্তির কুমিল্লাকে যারা অশান্ত করবে তাদেরকে অতীতের মতো প্রতিহত করা হবে। দীর্ঘ অালাপচারিতায়, হাজী ইয়াছিন বলেন, অামিও শান্তি প্রিয় মানুষ। অামি চাই পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সুন্দর অাগামি বিনির্মান করতে। সামাজিক বন্ধন যাতে অটুটু থাকে, বন্ধনটি যাতে নষ্ট না হয়। মারামারি, কইন্নাকন্নি অামার অপছন্দ। দুপুর দেড়টায় এমপি বাহার ইয়াছিনের শিল্পকারখানা লালমাই ফুটওয়্যার লিঃ প্রশাসনিক কার্যালয়ের কনফারেন্স রুম থেকে বিদায় নিয়ে বের হয়ে যান। হাজী ইয়াছিন সাথে সাথে এসে অাবারো দুজনে করমর্দন করে হাসি মুখে বিদায় নেন