২০, আগস্ট, ২০২০, বৃহস্পতিবার | | ১ মুহররম ১৪৪২

যবিপ্রবিতে টানা দ্বিতীয় দিনের বিক্ষোভ এবং শিক্ষকদের ক্লাস বর্জন

আপডেট: জানুয়ারি ১২, ২০১৯

  • Facebook Share
যবিপ্রবিতে টানা দ্বিতীয় দিনের বিক্ষোভ এবং শিক্ষকদের ক্লাস বর্জন

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নৌকা প্রতীক সরিয়ে দেওয়ায় ১২-ই জানুয়ারি শনিবার  টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ মিছিল করেন ছাএলীগ এবং সাধারন শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সাধারন শিক্ষার্থীরা ও ছাএলীগের নেতাকর্মী সকাল ১০:২০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইনগেট  হতে মিছিল নিয়ে একাডেমিক ভাবন এর দিকে যাওয়ার সময় পুলিশ বাঁধা দিলে তা উপেক্ষা করে সকলেই এগিয়ে যান।নৌকা প্রতীক সরিয়ে দেওয়া এবং সাধারন শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবী না মানার জন্য বিক্ষোভ মিছিল করেন।  এছাড়াও সদ্য নির্বাচিত শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. ইকবাল কবির জাহিদকে বহিষ্কার এর প্রতিবাদে আজ সকাল ১১টায় মানব বন্ধনে সকল শিক্ষক এ সিদ্ধান্ত নেয়। এর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।মানব বন্ধনের পর শিক্ষকরা সংবাদ সম্মেলন করে সাংবাদিকদের ক্লাস বন্ধের কারণ নিয়ে বক্তব্য রাখেন। শিক্ষকদের এমন সিদ্ধান্তের বিষয়ে নিয়ে জানতে চাইলে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘এই বিষয়ে আমি শিক্ষকদের সাথে কথা বলব এবং ক্লাস ফিরে যাবার আহ্বান জানাব।’
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারন শিক্ষার্থীদের দাবী সমূহ হচ্ছে:১. উন্নয়নের প্রতীক নৌকার অপমান মানি না মানব।২. অযৌক্তিক কটুক্তিমূলক পোষ্টার মানি না মানব না।৩. অরিয়েন্টেশন প্রোগামে কোন রাজাকারারের সংগঠন আসবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক মনা শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠান পরিচালিত হবে।৪. রিটেক ফি ২৫০০টাকা কমাতে হবে।৫. লাইব্রেরি থেকে আগে সাত দিন আমরা বই পাইতাম। এখন তিন দিন রাখতে পারি না। মোটা অঙ্কের জরিমানা পাঁচ হাজার থেকে দশ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হয়। আমরা এই অনিয়ম মানব না 
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের প্রতীক নৌকার সামনে র‌্যাগিং বিরোধী পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯ই জানুয়ারি বুধবার যে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়েছিল সেটির জের ধরে আজকে অবস্থান নেয় ছাত্রলীগের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সাথে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতিও অবস্থান কর্মসূচি পালন করে।