আপডেট: জুলাই ১০, ২০১৯

আপডেট:

নোয়াখালী প্রতিনিধি।
নোয়াখালীতে দিন দিন শিশু পাচারের আতঙ্ক ভাড়ছে। গত এক সপ্তাহ যাবত জেলার পাড়া-মহল্লা ও বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মাঝে এই আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুলাই) বিকাল ৪.০০ টার সময় জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার ১নং আমানউল্ল্যাপুর ইউনিয়নের জনকল্যাণ আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে অজ্ঞাত পরিচয়হীন এক যুবক স্কুল থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার সময়ে জনতার হাতে ধরা পড়ার খবর পাওয়া যায়। পরবর্তীতে সাধারণ জনগণ মারধর করে জিজ্ঞাসাবাধ করলে সেই নিজেকে মানব পাচারকারীর সদস্য বলে স্বীকার করে। এর আগে ও আরও ২ টা বাচ্চা ছুরি করছে বলে স্বীকার করে সে। পরে তাকে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হাতে তুলে দেওয়া হয়।
এই দিকে গত ০৮/০৭/২০১৯ইং বিকেল ৫.৩০ মিনিটের সময় নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানাধীন ০৫ নং ছয়ানী ইউনিয়নের লক্ষ্মণপুর গ্রামের রতার বাড়ি জামে মসজিদের পাশে একটি বাচ্চা ছেলেকে একজন অপরিচিতা মহিলা অপহরণ করার সময় স্থানীয় এক যুবক ছেলে সহকারে ওই মহিলাকে হাতেনাতে ধরে পেলেন।
মহিলার পরিচয় জিজ্ঞেস করা হলে তার বাড়ি কক্সবাজার বলে পরিচয় দেয়। এরপর তাকে ইউনিয়ন পরিষদে (বোর্ড অফিস) চেয়ারম্যান হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পরে স্বীকার করে যে এই পর্যন্ত সে নিজে ৩টা বাচ্চা শিশু চুরি করেছে এবং তার মত ছেলে-মেয়ে ধরার জন্য বেশ কয়েকটি গ্রুপ সারাদেশে বিস্তার লাভ করছে। সর্বশেষ রাত ১০টায় মহিলাটিকে বেগমগঞ্জ থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়।
বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষ আতংকিত হয়ে আছে, এই ব্যাপারে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। এবং বাচ্চা ছুরির ব্যাপারে আইনের যথাযথ কার্যকর করলে এই ধরনের ঘটনা কমে আসবে বলে মনে করে সাধারণ জনগণ।