আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০১৯

আপডেট:

মোঃ খোরশেদ আলম ( কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি, ) ঃ
মারুফ আহমেদঃ কুমিল্লায় সরকারী নির্দেশনা উপেক্ষা করে দেশের জাতীয় প্রধান মহাসড়কজুড়ে অবাধে চলছে ফিটনেসবিহীন শত শত যানবাহন। আর এসব অধিকাংশ যানবাহনের চালকের আসনে রয়েছে লাইসেন্সবিহীন বা অদক্ষ চালক।
এঅবস্থায় দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে প্রতিদিন যাতায়াত করছে হাজার হাজার মানুষ। এদিকে জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়টি দিনের পর দিন চলে আসলেও অজ্ঞাত কারণে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন নিরব রয়েছে।
দেশের জাতীয় প্রধান ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশজুড়ে আছে প্রায় এক’শত কিলোমিটার অংশ। এই মহাসড়ক পথে প্রতিদিন পারাপার হচ্ছে কমপক্ষে ২৬ হাজারেরও বেশী যানবাহন। যার মাঝে রয়েছে দ্রুতগতির ট্রাক,কাভার্ডভ্যান ,লং ভেহিক্যাল, বাস , প্রাইভেটকার , মাইক্রোবাস। চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর দিয়ে দেশের আমদানী রপ্তানীর সিংহভাগ হওয়ার পাশাপাশি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি রাঙ্গামাটি , বান্দরবান , খাগড়াছড়ি , রামগড় , টেকনাফ,সেন্টমার্টিন ছাড়াও পর্যটন নগরী কক্সবাজারের সৌন্দর্য অবলোকনেও প্রতিদিন দেশ বিদেশের হাজার হাজার মানুষ এই রুটে চলাচল করছে। দ্রুতগতির এই মহাসড়কের বিষফোড়া যেন কুমিল্লার ফিটনেসবিহীন মারুতি,মাইক্রোবাস কখনোবা তিন চাকার রিক্সা,সিএনজি অটোরিক্সা বা ইজিবাইক। আর এর সবগুলোর চালকই লাইসেন্সবিহীন বা অদক্ষ।
সরকার সারাদেশে মহাসড়কজুড়ে ফিটনেসবিহীন ও থ্রিহুইলার যান চলাচল নিষিদ্ধ করলেও অজ্ঞাত কারণে কুমিল্লায় সেটা মানা হচ্ছেনা। ফলে প্রতিদিন জেলার মহাসড়কের শত কিলোমিটার অংশজুড়ে দ্রুতগতির যানবাহনের সাথে পাল্লা দিচ্ছে ফিটনেসবিহীন শত শত মারুতি,লক্করঝক্কর মার্কা মাইক্রোবাস। সরেজমিন মহাসড়কের কুমিল্লা অংশের দাউদকান্দি ,গৌরীপুর , রায়পুর , ইলিয়টগঞ্জ , চান্দিনার মাধাইয়া , চান্দিনা সদর , বুড়িচংয়ের কাবিলা ,কোরপাই,নিমসার, সদর দক্ষিনের কোটবাড়ি নন্দনপুর, পদুয়ারবাজার, সুয়াগাজী , চৌদ্দগ্রামের মিয়াবাজার ও চৌদ্দগ্রাম সদর ঘুরে দেখা যায় মহাসড়কের উল্লেখিতস্থান জুড়ে রয়েছে এসব ফিটসেনবিহীন যানবাহনের অবৈধ ষ্ট্যান্ড। অলিখিত অবৈধ এই ষ্ট্যান্ডগুলোতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ফিটনেসবিহীন যানবাহন রেখে যাত্রী পরিবহন করছে প্রতিদিন। এতে করে দ্রুত গতির যানবাহনগুলো প্রায়ই উল্লেখিত স্থানগুলোতে এসে দুর্ঘটনা এড়াতে গাড়ির গতি কমাতে বাধ্য হচ্ছে।
কুমিল্লা বাস মালিক পরিবহনের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী , বিআ্রটিএ বা হাইওয়ে পুলিশ নির্দিষ্ট টোকেনের মাধ্যমে ফিটনেসবিহীন এসব যানবাহন চলাচলে বৈধতা দিচ্ছে। তিনি আরো বলেন, এসব যানবাহনের অধিকাংশ চালক লাইসেন্সবিহীন বা অদক্ষ।