আপডেট: অক্টোবর ২৩, ২০১৯

আপডেট:

হাইমচর প্রতিনিধি:
হাইমচর উপজেলার সদর আলগী বাজারে সোনালী ব্যাংক সংলগ্ন ন্যাশনাল ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের ভূয়া রিপোর্টে দিন মজুর নোয়াব আলি নামে এ দিন মজুর মৃত্যু শয্যায় রয়েছেন। নোয়াব আলি(৪৫) ২নং আলগী উত্তর ইউনিয়নের ছোটলক্ষীপুর গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে।জানাযায়, গত ২১ অক্টোবর নোয়াব আলি অসুস্থ্য অবস্থায় হাইমচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রক্ত পরিক্ষা করার জন্য নির্দেশ দেন। নোয়াব আলি ন্যাশনাল ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে রক্ত পরীক্ষার জন্য গেলে স্টাফ রাজীব নাহা রক্ত পরীক্ষা না করেই প্যাথলজিষ্ট সুজনের স্বাক্ষর নকল করে রুগীকে টাইফয়েড জ্বরের রিপোর্ট প্রদান করেন। ঐ রিপোর্ট দেখে চিকিৎসক তাকে প্রেসক্রিপসনে ঔষধ লিখে দেন। নোয়াব আলি ঔষধ ক্রয় করে বাড়ি গিয়ে রাত্রে ঔষধ সেবন করার পর তিনি গুরুতর অসুস্থ্য হয়ে পড়েন।আজ সকাল ৯টায় তার পরিবারের লোকজন তাকে অচেতন অবস্থায় হাইমচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। বর্তমানে নোয়াব আলি গুরুতর অবস্থায় হাইমচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।নোয়াব আলীর স্ত্রী জানান, আমার স্বামীর শরীর থেকে রক্ত না নিয়েই কিছু সময় বসিয়ে রেখে কিছুক্ষন পরে ভিতর থেকে রিপোর্ট এনে দেয়। আমরা সেই রিপোর্ট হাসপাতালের ডাক্তারকে দেখাই। ডাক্তার আামদেরকে এ রিপোর্ট অনুযায়ী ঔষধ দেন। ঐ ঔষধ খাওয়ানোর পর তিনি গুরুতর অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। তাৎক্ষনিক আমরা তাকে হাইমচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসি। আমার স্বামী এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। হাইমচর ন্যাশনাল হাসপাতালে ডাক্তারী ভ’য়া সদন দিয়ে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে রোগি দেখার অভিযোগ রয়েছে। হাইমচর বাসী দাবি এ ধরনের অদক্ষ লোক দিয়ে চিকিৎসা সেবা দিলে সাধারন রোগীরা ভোগান্তীর শিকার হবে বলে জানান।হাইমচর ন্যাশনাল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের মালিক পক্ষের প্রতিনিধি ফরিদ ভ’ইয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আসলে আমাদের যদি কোন ভুল হয়ে থাকে আমরা এ বিষয়টি নিয়ে বসবো। সামনের দিকে যাতে এধরনের কোন ভুল না হয় সে ব্যাপারে আমরা ব্যবস্থা নেব।