লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান, পুলিশ সুপার এস.এম রশিদুল হক, সিভিল সার্জন ডা: কাশেম আলী, ক্যাপ্টেন (অব.) আজিজুল হক বীর প্রতিক, গেরিলা লিডার ড. এস.এম শফিকুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক এ্যাড. বাদল আশরাফ, বীরমুক্তিযোদ্ধা আবু বক্কর সিদ্দিক, আমিনুর ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমিনুর রহমান। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের জেলা ও উপজেলা কমান্ডারসহ মুক্তিযোদ্ধারা।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারতীয় মিত্রবাহিনী ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা লালমনিরহাট শহরকে পাকহানাদার মুক্ত করতে তিন দিক থেকে ঘিরে ফেলে আক্রমণ পরিচালনা করে। মিত্রবাহিনী ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যৌথ আক্রমনে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী বিপর্যয়ের মুখে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তাদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে লালমনিরহাট রেলওয়ে স্টেশন থেকে পাক হানাদার বাহিনী, রাজাকার, আলবদর, আলশামস ও তাদের দোসর অবাঙ্গালীরা দুটি স্পেশাল ট্রেন যোগে রংপুর ও সৈয়দপুরে পালিয়ে যায়। লালমনিরহাট জেলা পাক হানাদার মুক্ত হয়। এর আগের দিন ১৯৭১ সালের ৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় লালমনিরহাট রেলওয়ে রিক্সা স্টান্ডে পাকহানাদার বাহিনী ও রাজাকাররা গণহত্যা চালায়। এ সময় মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের রেলওয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী, বুদ্ধিজীবিসহ ৩৭৩ জন নিরীহ মানুষকে গুলি করে হত্যা করে পাকহানাদার বাহিনী। পরে গণহত্যায় নিহত লোকদের রেল স্টেশনের দক্ষিণ পাশে একটি পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। ওই পুকুরটি এখন একটি গণকবর।