২০, আগস্ট, ২০২০, বৃহস্পতিবার | | ১ মুহররম ১৪৪২

সাভার উপজেলার এক আতংকের নাম “কিশোর গ্যাং”

আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০১৯

  • Facebook Share
সাভার উপজেলার এক আতংকের নাম “কিশোর গ্যাং”


পত্র-পত্রিকার একটি  উদ্বেগজনক সাম্প্রতিক শিরোনাম কিশোর গ্যাং। অভিভাবকদের জন্য তো বটেই। ইতিমধ্যে তা হয়ে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিষয়। সাভারে উঠতি বয়সের কিশোররা তাদের আধিপত্য বিস্তার করার জন্য গ্যাং বানিয়ে দল বেধে চলে। এদের সিংহভাগ সদস্যই স্কুল পড়ুয়া ছাত্র। এরা নানাভাবে বিস্তৃত থাকে। এলাকা বা অঞ্চলভিত্তিক এদের গ্রুপ গঠিত হয়। সদস্য সংখ্যার নিয়মে দলের ক্ষমতা হয় বাস্তবায়ন।বেপরোয়াভাবে মোটরবাইক চালিয়ে জানান দেয়  বিভিন্ন এলাকার আনাচে কানাচে। সিনিয়র-জুুুনিয়রদের দ্বন্দ, আধিপত্য বিস্তারের মানসিকতা, মাদক ইত্যাদি নিয়ে এক দল অন্য দলের সাথে ছুরি, চাপাতি, হকস্টিক দিয়ে রক্তারক্তি এ যেন এক নিত্যদিনের ঘটনা। এরা কখনো পুলিশের সোর্স, কখনো বড় ভাইয়ের লোক, কখনো ছাত্রনেতা। অত্যাচারের অতিষ্ঠ আশেপাশের সাধারণ মানুষজন।   
এ প্রসঙ্গে এলাকার লোকজনদের জিজ্ঞেসাবাদ করলে ওনারা জানান, এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে তাদেরকে বিভিন্নভাবে লাঞ্চিত ও মারধর করা হয়।আরোও জানান যে, রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে গড়ে উঠেছে এই গ্যাংস্টার গ্রুপ।নিম্নবিত্ত উচ্চবিত্ত সকল শ্রেণীর কিশোর জড়িত। এদের বিরুদ্ধে পুলিশদের অবগত করা হলে নেওয়া হয় না কোনো আইনি পদক্ষেপ।সমাজবিজ্ঞানী ও শিশু-মনস্তত্ত্ববিদগন  এর ব্যাখ্যা – বিশ্লেষণ করেছেন এবং বিভিন্ন কারন নির্দেশ করেছেন। তাদের বলা না বলা কারনগুলোর মধ্যে রয়েছে হিরোইজম ও লোকের দৃষ্টি আকর্ষনের প্রবণতা, ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা ও অশ্লীলতার সয়লাব,বলিউড-হলিউড ছায়াছবির হিংস্রতা ও পাশবিকতা,মাদকের বিস্তার, ছেলে-মেয়ের অবাধ মেলামেশা ,