আপডেট: ডিসেম্বর ১১, ২০১৯

আপডেট:

আপন আর্য্য,কালিহাতী(টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: কৃষিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত যেসব রাজনৈতিক দলের ঘোষনাপত্রে জয় বাংলা শ্লোগান থাকবে না তাদের নিবন্ধন বাতিল হওয়া উচিত। মুক্তিযুদ্ধের সময় জয় বাংলা ছিল আমাদের রণধ্বনি। এ শ্লোগান দিয়ে যুদ্ধ করে আমরা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে বিজয় অর্জন করেছি। হাই কোর্ট জয় বাংলাকে জাতীয় শ্লোগান হিসেবে ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন। তাই নির্বাচন কমিশনের উচিত নিবন্ধিত দলগুলোকে চিঠি দিয়ে তাদের ঘোষনাপত্রে জয় বাংলা শ্লোগান অন্তর্ভুক্ত করতে বলা।
তিনি বুধবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল পৌরসভা আয়োজিত পাঁচদিন ব্যাপী টাঙ্গাইল পাকিস্তানি হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রথম দিন প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিতে এসে সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা প্রতিবেদন সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি ডাক্তার নই। এ ব্যাপারে বলতে পারবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসকরা। সেখানকার চিকিৎসকরা যে সিদ্ধান্ত দেবেন সেটাই চুড়ান্ত।
পরে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে মুক্ত দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় কৃষিমন্ত্রী বলেন, নয় মাস যুদ্ধ শেষে ১১ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা টাঙ্গাইলকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন। সেই যুদ্ধে একজন কোম্পানী কমান্ডার হিসেবে তিনি আগের দিন রাতে টাঙ্গাইল শহরে প্রবেশ করেন এবং সেখানে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন।
পৌরসভার মেয়র জামিলুর রহমান মিরনের সভাপতিত্বে সভায় টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখিপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভুয়াপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানবির হাসান ছোট মনির, খন্দকার মমতা হেনা লাভলী এমপি, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, মুক্তিযুদ্ধকালিন কাদেরিয়া বাহিনীর প্রশাসক আবু মোহাম্মদ এনায়েত করিম, পৌরসভার প্যানেল মেয়র সাইফুজ্জামান সোহেল প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন। আলোচনা সভা শেষে ভারতের শিল্পী মিতালী মুখার্জী গান পরিবেশন করেন।
এর আগে সকালে মুক্ত দিবস উপলক্ষে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। এতে মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।