আপডেট: অক্টোবর ১, ২০১৮

আপডেট:

বিনোদন প্রতিবেদকঃ ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ ২০১৮ নির্বাচিত হয়েছেন ঐশী।
জান্নাতুল ফেরদৌসী ঐশী পিরোজপুরের মেয়ে। এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া জান্নাতুল ফেরদৌসী ঐশী চলতি বছরের এইচএসসি শেষ করে জুলাই মাসে ঢাকায় এসেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং করার জন্য। যখন চোখেমুখে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির লড়াইয়ের স্বপ্ন তখনই খোঁজ পান মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৮ এরে আবেদন করার খবর।
কৌতুহল আর আগ্রহ মাথার চিন্তাকে যেন কিছুটা এলোমেলোই করে দিল। আবেদন করে বসলেন। দেখতে দেখতে মিসওয়ার্ল্ড বাংলাদেশের চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নিলেন। সেরা দশে জায়গা পাওয়ার পর নিজের আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে যায়।
রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটির রাজদর্শন হল আলোকজ্জ্বল হয়ে ওঠে ১০ সুন্দরীর উপস্থিতিতে। সেই ১০ জনের মধ্য থেকে ৩ জনকে বিচারকেরা আলাদা করে ফেলেন। সেরা দশে জায়গা করে নেওয়া অনেকেই সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। সাত সুন্দরী তো রীতিমত ইংরেজি সহজ শব্দগুলো উচ্চারণ করতে পারে নি। অর্থাৎ এদের ভূমিকা ছিলো প্রশ্নবি। কিন্তু সেরা ৩ জন ছিলেন অনবদ্য।
বিশেষ করে জান্নাতুল ফেরদৌসী ঐশী ও প্রথম রানার আপ নিশাত নাওয়ার সালওয়ার পারফর্ম্যান্স ছিল চোখ ধাঁধানো। শুধু রাজদর্শন হল-ই নয় গোটা এটিএন বাংলার কল্যাণে দেশের মানুষের কাছে বাকি প্রতিযোগীরা যখন সমালোচনার তীরে বিদ্ধ হচ্ছিলেন তখন ঐশী ও সালওয়া ছিলেন অনবদ্য। শেষ পর্যন্ত ঐশীই মুকুট জয় করেন।
ঐশীর গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের মাটিভাঙা এলাকায়। জুলাই মাসে ঢাকায় এসে আত্মীয়ের বাসায় থেকে পড়াশোনা করতেন। বাবা আব্দুল হাই সমাজসেবী মা আফরোজা হোসনে আরা একজন স্কুল শিক্ষিকা। ঐশীরা দুইবোন। বড় বোনের নাম শশী। চলতি বছরই এইচএসসি পাস করেছেন মাটিভাঙা ডিগ্রি কলেজ থেকে। এরপরই ঢাকা…
ঐশী বলেন দৈনিক সময়ের কন্ঠকে বলেন , আমি জানি বিচারকেরা সব দিক বিবেচনা করে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ নির্বাচিত করেছেন। আমি এই প্রতিযোগিতায় এসে ক্রমাগত শিখেছি। কিন্তু চূড়ান্তভাবে আমার নাম ঘোষিত হবে এটা ভাবতে পারিনি। ছিলাম প্রচণ্ড নার্ভাস। অনেক বড় দায়িত্বও আমার কাঁধে এসেছে। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের সৌন্দর্য তুলে ধরার সুযোগ পেয়েছি আমি, এটা ভাবতে ভালো লাগছে। আশা করছি, নিজের দেশের শিল্প, সংস্কৃতি ও ইতিহাসকে মর্যাদার সঙ্গেই বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে পারবো।