আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০১৯

আপডেট:

পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিমোঃ সাইফুল ইসলাম : স্বাধীনতা পরবর্তী ১৯৭৩ সালের পর সব সরকারের সময়েইদেশের গুরুত্বপূর্ণ জেলা পটুয়াখালীতে মন্ত্রী কিংবাপ্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার কেউ না কেউ দায়িত্ব পালন করেছেন।তবে ১৯৭৩ সালের পর এবারই প্রথম একাদশ জাতীয় সংসদেরনতুন মন্ত্রী সভায় এই জেলা থেকে কোন মন্ত্রী,প্রতিমন্ত্রী কিংবা উপমন্ত্রী নেই।এর আগে, জিয়াউর রহমানের সময়ে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীহিসেবে ছিলেন আব্দুল বাতেন। এরশাদ সরকারের সময়েপটুয়াখালীর সন্তান এম এম মুনিম ছিলেন কৃষি মন্ত্রী।১৯৯১সালে বিএনপি সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে ছিলেনসাবেক মন্ত্রী পরিষদ সচিব এম কেরামত আলী। তিনি সেসময়ে ধর্ম,বাণিজ্য এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়েরদায়িত্ব পালন করেন।১৯৯৬ সালের আওয়ামী লীগ সরকারের মেয়াদেপটুয়াখালী-৩ আসনের এমপি আ.খ.ম জাহাঙ্গীর হোসেন পাটও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১সালে বিএনপি সরকারের আমলে পটুয়াখালী -১ আসনে সাবেকবিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল আলতাফ হোসেন চৌধুরীপূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সে সময়ে তিনিস্বরাষ্ট্র এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এর দায়িত্বে ছিলেন।২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের মেয়াদে পটুয়াখালী-১আসনের এমপি এড.শাহজাহান মিয়া ধর্ম মন্ত্রণালয় এর প্রতিমন্ত্রীহিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পটুয়াখালী-৪ আসনের এমপিমাহবুবুর রহমান ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এর প্রতিমন্ত্রী।এছাড়া পটুয়াখালী-২ আসনের এমপি আ.স.ম ফিরোজ সংসদেরহুইপের দায়িত্ব পালন করেন।সর্বশেষ ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের দ্বিতীয়মেয়াদে আ.স.ম ফিরোজ সংসদের চীফ হুইপ হিসেবে দায়িত্বপালন করছে।