১৯, আগস্ট, ২০২০, বুধবার | | ২৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

দুমকিতে বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী ছাউনি না থাকায় যাত্রীদের দুর্ভোগ

আপডেট: জানুয়ারি ১২, ২০১৯

  • Facebook Share
দুমকিতে বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী ছাউনি না থাকায় যাত্রীদের দুর্ভোগ

সোহাগ হোসেন দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : পটুয়াখালী দুমকি উপজেলা সদরের থানা ব্রিজ বাসস্ট্যান্ডে ছাত্রীছাউনি না থাকায় সাধারণ ছাত্রী চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।  উপজেলা শহরের ওপর দিয়ে বাউফল –দুমকি-পটুয়াখালী ও দশমিনা-বাউফল-দুমকি-বরিশাল- ঢাকা মহাসড়ক থাকায় দূরপাল্লার ও অভ্যন্তরীণ রুটের শত শত যাত্রীদের প্রতিনিয়ত বিড়ম্বনা শিকার হতে হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে, প্রচন্ড রোদ-বৃষ্টিও ঝড় ঝঞ্জায় ছাত্রী সাধারনকে দোকানপট, মার্কেট ও মসজিদের সামনে আশ্রয় নিতে হয় ঘন্টার পর ঘন্টা, দাড়িয়ে থাকতে হয় যানবাহনের জন্য। দশমিনা বাউফল-দুমকি-ঢাকা মহা সড়কে দুমকি উপজেলার থানাব্রিজ বাসস্ট্যান্ড একটি ব্যস্ততম বাসস্ট্যান্ড। প্রতিদিন এ সড়কে দিয়ে উত্তাঞ্চালের বিভাগীয় শহর বরিশাল ও রাজধানী শহর ঢাকাশহ দেশের বিভিন্ন রুটের ৭/৮ টি দূরপাল্লার পরিবহন ও অভ্যন্তরীল যানবাহন এ স্ট্যান্ড থেকে প্রতিনিয়ত শত শত ছাত্রী চলাচল করায় স্ট্যান্ডটি সব সময় জনসমাগমে ব্যস্ত থাকে। এক যাত্রীর কথোপকোথনে যাত্রী বলে যে বাস স্ট্যান্ডে এস ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে থাকতে হয় দোকান পাটে ঘিয়ে বসতে হয় বিরক্ত কর একটি স্ট্যান্ড এখানে একটি যাত্রী ছাউনি একান্ত প্রয়োজন। নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌছাতে বাসের জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে থাকতে হয় রাস্তায়। সড়কের দু’পার্শ্বে দোকান পান গড়ে উঠায় রিক্সা, ভান টেম্পো, সিএনজি অটোরিক্সা অনির্ধারিত স্ট্যান্ড তৈরীর কারনে বাস মিনিবাসের ছাত্রী সাধারনের নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌছাবার   জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে থাকার জন্য নিরাপদ স্থান নেই। এতে করে পুরুষ যাত্রীদের তেমন কোন সমস্যা না হলেও মহিলা যাত্রীদের দুর্ভোগের অন্ত থাকে না। বিশেষ করে পাবলিক টয়লেট না থাকায় মহিলা যাত্রীদে ব্যাপক অসুবিধা পোহাতে হয়। রাতের বেলায় এসব যাত্রীদের মারাত্মক বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে।

থানাব্রিজ এলাকার দোকান্দার আবুল কাসেম জানান, যাত্রী ছাউনি না থাকায় এক এক জায়গায় এক এক দোকানের বেঞ্চে বসে থাকতে হয় ঘন্টার পর ঘন্টা। জন দুর্ভোগে লাঘবে একটি যাত্রী ছাউনি ও পাবলিক টয়লেট একান্ত প্রয়োজন। দক্ষিন ববঙ্গ কোচ সার্ভিসের (মেঘনা পরিবহন) কাউন্টার ম্যান আবুল কালাম মৃধা বলেন, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের কাচে বার বার বলার পর ওেএ বিষয়ে তারা কোন উদ্যেগ নেয়েনি।