আপডেট: মার্চ ৪, ২০১৯

আপডেট:

জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুর সদর উপজেলার শাহবাজপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে কাজলি বেগম মাদকের ফাঁদ পেতে পুলিশ পাঠিয়ে হয়রানীর অভিযোগ করেছে লিটন মোল্লা নামে এক দর্জিকে।
জামালপুর শহরের স্থানীয় একটি পত্রিকা অফিসে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগ করেছেন শাহবাজপুর গ্রামের লিটন মোল্লা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে লিটন মোল্লা জানান, দীর্ঘদিন ধরে কাজলি বেগমের সাথে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে দর্জি লিটন মোল্লার। গত ১৬ ফেব্রুয়ারী শাহবাজপুর বাজারে লিটন মোল্লার দর্জির দোকানে কাজলী বেগমের ভাগিনা শাউন প্রবেশ করে শার্ট বানানোর কথা বলে। শাউনকে দোকানে রেখে জরুরী কাজে পাশের দোকানে যায় লিটন মোল্লা। ফিরে এসে শাউনকে পায়নি সে। লিটন দর্জির অনুপস্থিতিতে সিগারেটের প্যাকেট গাঁজা ক্য্শা বাক্সে রেখে চলে যায় কাজলির ভাগিনা শাউন। দোকান বন্ধের সময় দুই পুলিশ এসে বলে তুই গাঁজা খাস, তোর দোকানে গাঁজা আছে, তল্লাশী করা হবে। এসময় ওই পুলিশের কাছে ফোন আসে। ফোনের অপরপ্রান্ত থেকে কোথায় গাঁজা আছে জানায়। ফোনে কথা বলতে বলতে লিটনকে ক্যাশ বাক্স কোথায় জানতে চায়। ক্যাশ বাক্স থেকে সিগারেটের প্যাকেটে ৯ পুড়িয়া গাঁজা উদ্ধার করে লিটন মোল্লাকে জামালপুর সদর থানায় নিয়ে যায়। নিরিহ দর্জি লিটন মোল্লাকে গাঁজাসহ ষড়যন্ত্রমুলক পুলিশ দিয়ে আটকের প্রতিবাদে কাজলির উপর বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে শাহবাজপুর বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় এলাকাবাসী। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি থানায় বিষয়টি জানালে সদর থানা পুলিশ কাজলির ভাগিনা শাউনকে থানায় উপস্থিত করে। শাউন পুলিশের কাছে স্বীকার করে তার খালা কাজলি তাকে দিয়ে সিগারেটের প্যাকেটে গাঁজা ঢুকিয়ে লিটন মোল্লার দর্জির দোকানে রাখার জন্য বলে। পরে থানা থেকে ছেড়ে দেয় লিটন মোল্লাকে।
এ ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে কাজলি বেগম নিরিহ দর্জি লিটন মোল্লাকে নানাভাবে হয়রানি করে আসছে। শুধু লিটন মোল্লাকে হয়রানী নয়, গ্রামের সহজ সরল মানুষকে ফাঁদে ফেলে হয়রানি,মাদক ব্যবসা,জুয়ার আসর ও নারী ব্যবসাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
সংবাদ সম্মেলন অভিযোগ প্রসঙ্গে কাজলি বেগম বলেন, আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করেছে তা আদৌ সত্য নয়। ভিত্তিহীন মিথ্যা বলে দাবী করেন তিনি।