আপডেট: মার্চ ২৪, ২০১৯

আপডেট:

মোঃ খোরশেদ আলম( কুমিল্লা প্রতিনিধি)ঃ
মুরাদনগর উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের ভোটের লড়াই জমে উঠেছে, ছাড় দিতে রাজি নয় কেউ কাউকে। ঘনিয়ে আসছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটের দিন। প্রতিশ্রুতি আর জনসংযোগের প্রতিযোগিতা চলছে প্রার্থীদের মাঝে। চতুর্থ ধাপের ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটের বাকি আর মাত্র কয়েক দিন।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামীলীগের প্রতিদ্বন্দ্বী বড় রাজনৈতিক দল বিএনপি নেই ভোটের মাঠে। ভোটারদের মাঝে তেমন কোন আগ্রহের দেখা মেলেনি এখনো।কিছুটা ব্যাতিক্রম দেখা যাচ্ছে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায়। নেতাকর্মীদের আলোচনা সমালোচনা ও প্রচার প্রচারণায় জমে উঠেছে নির্বাচনী আমেজএ উপজেলায়। আ.লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকে ড. আহসানুল আলম সরকার কিশোর। প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া (কাপ পিরিচ)।
নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ড. আহসানুল আলম সরকার কিশোর ছুটছেন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে। প্রতিদিনই একাধিক মিছিল মিটিং জনসংযোগে ব্যাস্ত সময় পার করছেন তিনি ও তার সমর্থকরা। এ প্রার্থী নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে চষে বেড়াচ্ছের উপজেলার ২২টি ইউনিয়ের ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। নির্বাচনী সভা, সমাবেশ, মিছিল ও মিটিংয়ে রাতদিন পার করছেন ব্যাস্ততায়।বিএনপি জোট নির্বাচনে অংশ না নিলেও রাজনৈতিক অঙ্গনে ভোটের উত্তাপ ভালই ছরিয়েছে এ অঞ্চলে ।
উপজেলা নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের তেমন আগ্রহ না থাকলেও চায়ের দোকানের রাজনৈতিক আলাপে ভোটের হিসাব কষছেন এলাকার অনেকেই। রাজনীতির সাথে জড়িত ছোট বড় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে এ নির্বাচন নিয়ে রয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। চেয়ারম্যান প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণার পাশাপাশি ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের প্রচার প্রচারণারও কমতি নেই। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জনসংযোগ মাইকিং, পোষ্টার ব্যানার দেখেই তা বোঝা যায়।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সহ থানা পুলিশের সাথে কথা বলে জানা গেছে , শতভাগ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠ ভাবে ভোট গ্রহণ সহ ভোটারদের শান্তিপূর্ণ ভোট দান নিশ্চিত করতে যা যা করা প্রয়োজন সকল ব্যবস্থা গ্রহনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। কোন প্রকার বিশৃঙ্খলা বা কারচুপি করার কোন সুযোগ নেই। ভোটের শান্তি বিঘ্নিত বা বিশৃঙ্খলার কোনরুপ চেষ্টা করলে সে যেই হোক না কেন কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা রয়েছে ওপর মহলের। প্রতিটি কেন্দ্রেই থাকবে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যাবস্থা।
সুষ্ঠ ভোটে প্রার্থীদের সকলেই নিজেদের জয়ের ব্যাপারে সমান ভাবে আশাবাদী। এ লড়াইয়ে কে হচ্ছেন মুরাদনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বা ভাইস চেয়ারম্যান ? আর এটি জানার জন্য অপেক্ষা করতে হবে ৩১শে মার্চ বিকেল পর্যন্ত।