আপডেট: মার্চ ২৫, ২০১৯

আপডেট:

কালিহাতী(টাঙ্গাইল)প্রতিনিধি:মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য”আমি বাঁচতে চাই সুন্দর আগামীর দিনগুলো নিয়ে দেখতে চাই স্বপ্ন।গরিব হিসেবে নয়, আমাকে মানুষ হিসেবে ভালোবাসুনএকটু সাহায্য করুন একটু হাত বাড়িয়ে এগিয়ে আসুন।আপনাদের সম্পদ কমে যাবে না,তবে আমার মতো অভাগা হয়তো বেঁচে যাবে নিজের বাড়িরবিছানায় শুয়ে ধনুসটংকায় আক্রান্ত মর্জিনা আক্তার।এই করুণ আর্জিতে ভারি হয়ে উঠেছিল আশপাশের পরিবেশ।বেঁচে থাকার এমন আর্তনাত শুধু অসুস্থ মর্জিনার নয় গোটা পরিবারেরও।তবে আর্থিক দিক দিয়ে অসচ্ছল এই পরিবারের কাছে কান্না আর আর্তনাত জানানো ছাড়া যেন কিছুই করার নেই।তবে আশা ছাড়েন নি পরিবারটি এখনো স্বপ্ন দেখেন সুস্থ হয়ে আবারো হাসৌজ্জ্বল ভাবে চলাফেরা করবে তাদের আদুরের মেয়েটি।মেয়েটির নাম মর্জিনা আক্তার।কালিহাতি উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের মালতী গ্রামের মোতালেব হোসেনের মেয়ে(৫০)। ১ ছেলে ২ মেয়ে মধ্যে সবার মাঝ হওয়ার কারণে সবার খুব আদরের এই মেয়েটি।মাত্র ১৪ বছর বয়সেই শরীরে বেধেছে ধনুসটংকায় মতো খিচুনি রোগ।গত কয়েকদিন আগে ডাক্তারের পরামর্শে টেস্ট পরীক্ষার মাধ্যমে প্রথম জানতে পারলো এই রোগের কথা। বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা করলে এই রোগ ভালো করা সম্ভবগোটা পরিবারের উপর যেন আকাশ ভেঙে পরলো। কোথা থেকে আসবে চিকিৎসার কয়েক লক্ষ টাকার খরচ।তাও জানেন না অসহায় পিতা মোতালেব হোসেন । যিনি পেশায় একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। চিকিৎসা তো দুরের কথা নিজের স্ত্রী ও ৪ সন্তানদের মুখে তিন বেলা খাবার তুলে দিতেই হিমশিম খান তিনি। তবুও হাল না ছেড়ে সাহায্যের আবেদন জানান সমাজের বিত্তবানদের কাছে।অসহায় বাবার এমন আর্জিতে প্রথমেই সাড়া দেন নারান্দিয়া গ্রামের কয়েকজন যুবক অসহায় মর্জিনা আক্তার চিকিৎসার জন্য ফান্ড গঠন করেছেন। জানা গেছে, দেশী-বিদেশী বিত্তবান ব্যক্তিরা এতে সাড়া দিয়ে, বাড়িয়ে দিবেন সাহায্যে-সহযোগিতার হাত।অসুস্থ মর্জিনার পিতা মোতালেব হোসেনের জানান, ডাক্তাররাও জানিয়েছেন এমন চিকিৎসার জন্য অন্তত লক্ষ লক্ষ টাকার প্রয়োজন ।মোতালেব হোসেন অশ্রু ভারাক্রান্ত ভাবে সমাজের বিত্তবানদের সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন।সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিরা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে বেঁচে যেতে পারে আমার মেয়ে। সবার কাছে সাহায্য চান তিনি।সংশ্লিষ্ট ডাক্তারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এই ধরনের রোগের ক্ষেত্রে প্রথমে অনেকগুলো পরীক্ষার বিষয় থাকে। একটু সময় লাগে রোগীর স্টেজ কোন অবস্থানে। এছাড়াও নিয়মিত ঔষুধ থাকবে। একটা সময় ধীরে ধিরে ব্যয় বৃদ্ধি পায়। মর্জিনাকে নিয়েও একাধিক পরীক্ষা করা হয়েছে বলেও জানা গেছে। চিকিৎসার পারম্ভিক পক্রিয়া শুরু করার জন্য অর্থের প্রয়োজন তাহলে তার চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছে না।মর্জিনাকে সাহায্য পাঠানোর ঠিকানাঃযোগাযোগ: 01706-163030 (বিকাস নাম্বার)ব্যাংক একাউন্টঃ Motalab Hosain (অসুস্থ মর্জিনার বাবা)A/C No. 0100009504154জনতা ব্যাংক লিমিটেড,নারান্দিয়া শাখা, টাঙ্গাইল। ছড়িয়ে দিন আপনার বন্ধু-বান্ধবকে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে যাক বাঁচুক একটি প্রাণ আমারা আপনাদের সবার সহযোগিতা কামনা করছি।