আপডেট: এপ্রিল ৩, ২০১৯

আপডেট:

হাটহাজারী প্রতিনিধি :মহিউদ্দীন হাসান জীবন:বন্দর নগরী চট্রগ্রামে যেমনটি রয়েছে পাহাড়ে পর্বতে ঘেরা সুন্দর সৃষ্টিকর্তার এক লীলা নিকেতন। ঠিক আবার চট্রগ্রাম কে ইসলামের সুফিসাধক গন ১২ টি আউলিয়ার দেশ বলেও আখ্যায়য়িত করছে তাঁর মধ্য সুলতানুল আরেফিন হযরত বায়েজিদ বোস্তামি (রহ:) অষ্টম নবম খ্রিষ্টাব্দে আরব থেকে চট্রগ্রামে অনেকে আসত,,,ঠিক নবম শতাব্দিতে ও এই হযরতের আগমন তেমন কিছু নয়। নগরীর বায়েজিদ এলাকা ও থানার মাঝেই উক্ত মাজারটি। সুলতানুল আরেফিন বায়েজিদের নামে নামকরন করা হয় বায়েজিদ থানা ও তাঁর এলাকা। পূর্যটক দের জন্য যেমন বায়েজিদ বোস্তামির মাজার অতুলনীয় ঠিক মাজার বক্ত বৃন্দের জন্যও এক অন্যতম দৃষ্টান্ত।
হজরত বায়েজিদ বোস্তামি (রহ) ১২৮ হিজরী সালে ইরানের বোস্তাম শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পুরো নাম আবু ইয়াজিদ তাইফুর ঈসা বিন আদম বিন সরুশান। পিতা-মাতা তার নাম রাখেন আবু ইয়াজদ। তিনি বোস্তাম শহরে জন্মগ্রহণ করেন তাই তার নামের শেষে বোস্তামী শব্দ ব্যবহার করা হয়। হজরত বায়েজিদ বোস্তামির পিতার নাম ছিল তয়ফুর। হজরত বায়েজিদ বোস্তামির পিতামহ একজন মূর্তি এবং অগ্নি উপাসক ছিলেন বলে জানা যায়। পরবর্তীতে তার পিতা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং আল্লাহ তায়ালার নেক বান্দা হিসেবে পরিগণিত হন। তার পিতা ছিলেন প্রকৃত ঈমানদার, ন্যায়পরায়ণ এবং শান্ত ও সত্চরিত্রের মুসলমান।
হজরত বায়েজিদ বোস্তামির (রহ) ছোটবেলায় সময় কাটত ঘর থেকে মসজিদ এবং মসজিদ থেকে ঘরে আসা-যাওয়ার মধ্য দিয়ে। হজরত বায়েজিদ বোস্তামি (রহ) ভবিষ্যতে যে একজন কামেল মানুষ হবেন তা তার শৈশবেই প্রতিভাত হয়। যেমন তিনি অন্য শিশুদের মত খেলাধুলা ও হৈ-হল্লায় অযথা সময় নষ্ট করেননি। তিনি শৈশব থেকে মহান আল্লাহর ইবাদত ও মায়ের খেদমতে লিপ্ত থাকতেন। অবশেষে পানির গ্লাসের কথা টি নিশ্চই আমরা সবাই জানি। তখনি তিনি তাঁর মায়ের দোয়ায় একজন আল্লাহর অলিতে পরিণত হয় এমনি বলছে বই -পুস্তক ও সাধারণ মানুষের কথা।