আপডেট: মে ২, ২০১৯

আপডেট:

লালমোহন উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ রিপন।
লালমোহন উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাবিবুল হাসান রুমি জানান, ইতমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও উপকূল অঞ্চলের ৮০ টি আশ্রয়ণ প্রকল্প প্রস্তুুত রাখা হয়েছে। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সিপিপি স্বেচ্ছাসেবকরা প্রচারÑপ্রচারণা শুরু করেছে। উপজেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা প্রস্তুুত রয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা অপুর্ব দাস জানান, উপজেলা পর্যায়ে মনিটরিং টিম ও মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। সকলকে নিরাপদে আসতে বলা হয়েছে। চরাঞ্চলে যারা আছে তাদেরকে নিরাপদে আনতে স্ব-স্ব ইউপি চেয়ারম্যানদেরকে বলা হয়েছে।
প্রত্যেক মসজিদের ইমামদেরকে বলে দেয়া হয়েছে ঘূর্ণিঝড় “ফণি”র আঘাত থেকে রক্ষা পেতে মসজিদের মাইকে বলার জন্য। গবাদী পশু নিরাপদ স্থানে (মাটির কেল্লায়) নিরাপদে আনার জন্য বলা হয়েছে। এছাড়াও খাদ্য মজুদ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
লালমোহন উপজেলা ঘূর্ণিঝড় বাস্তবায়ন কর্মসূচী (সিপিপি) মুন্সি নূর মোহাম্মদ জানান, আবহাওয়া অধিদপ্তরের সংকেত অনুযায়ী ভোলায় ৭ নং সতর্ক সংকেত চলছে। আমরা সিপিপি স্বেচ্ছাসেবকদেরকে প্রস্তুুত রাখছি।
লালমোহন হাসপাতালের আরএমও ডা. মো. মহসিন জানান, আমাদের হাসপাতাল থেকে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ে কোনো স্বাস্থ্য সেবার প্রয়োজন হলে আমরা তাৎক্ষনাৎ সেবা প্রদান করবো।