১৮, আগস্ট, ২০২০, মঙ্গলবার | | ২৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

বাজার এর নামে জমি দখল

আপডেট: জুন ১৯, ২০১৯

  • Facebook Share
বাজার এর নামে জমি দখল

বিশেষ প্রতিনিধি নুরুল  : ঘাটে আর ঘাট নেই, হাটে হাট। শ্মষানের ন্যায় পড়ে আছে বিশাল বাজার। সেখানে বসে না বাজার। যেখানে বাজারের জায়গা নয়, সেখানে বসছে অবৈধ বাজার। বিঘ্ন ঘটছে পথচারী চলাচলে, সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। বাড়ছে নদী দখল প্রবণতা । প্রসাশনের নাকের ডগায়, নগরীর ব্যস্ততম জায়গা ফৌজদারি মোড়ে অবৈধ বাজার গড়ে উঠায় মুখে পড়েছে পরিবেশ ও প্রকৃতি ।

জানা যায়, পাকিস্তান আমল থেকে পাশের জেলা শেরপুরের হরিনধরা, ভাগন্দি, চরপক্ষিমারি, মেলান্দহের নলেরচর, সাধুপুর ও জামালপুর পৌর এলাকার পাথালিয়া, কম্পুপুর, চন্দ্রা, দেওয়ানপাড়া এলাকার ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য পাথালিয়া বকুলতলায় বাজার গড়ে উঠেছিল।

দিন দিন এ বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে জায়গার সংকট দেখা দেয়। অতঃপর ১৯৮৫ সালে স্থানীয় প্রসাশনের চেষ্টায় পাথালিয়া মাদ্রাসার সামনে প্রায় ৩একর খাস জায়গায় একাটি স্থায়ী বাজার গড়ে উঠে। বাজারটি উদ্ভোধন করেন, তৎকালিণ জেলা প্রসাশক, এ.টি.এম গিয়াস উদ্দিন আহম্মেদ।

৮৫ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত বাজারটি জমজমাট ছিল। এর পর হঠাৎ বাজারটিতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভাটা পড়তে থাকে। তারপর এক পর্যায়ে কতিপয় স্বার্থন্বেষি ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর প্ররোচণায় ফৌজদারি মোড়ে শহর রক্ষা বাঁধের উপর অবৈধ বাজার গড়ে উঠে। গড়ে উঠার পর থেকে এ অবৈধ বাজারটি উচ্ছেদ করতে পৌর কর্তৃপক্ষ একাধিকাবার উদ্যোগ নেন।

কিন্তু স্থানীয় একটি চক্র নিজেদের স্বার্থে বাজারটিকে বাঁধের নীচে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে স্থানান্তর করে। তখন থেকেই শুরু হয় বাজারের নামে নদী দখল। বর্তমানে বাজার ছাড়াও খামার ও গোয়াল ঘর ইত্যাদির নামে নদী দখল হচ্ছে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় একজন সাংবাদিক জানান, দেশের নদী দখলের ইতিহাসগুলো প্রায় সবই একই রকম। প্রথমে ছাপড়া, তারপর শেড, পরে বাসা বাড়ি ও মার্কেটের নামে ইমারত নির্মাণ। ফৌজদারি বাজারও এর ব্যতিক্রম নয়। তিনি আরও জানান, নদী দখলের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে তা এখনি রোধ করা না গেলে ভবিষ্যতে কঠিণ আকার ধারণ করবে।

এ ব্যাপারে জামালপুর পৌর মেয়র মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মণি বলেন, বাজারের নির্ধারীত জায়গায় যাতে বাজার বসে আমরা সেই চেষ্টা করছি।