২২, আগস্ট, ২০২০, শনিবার | | ৩ মুহররম ১৪৪২

তিন বছর পূর্তিতে ইবি প্রশাসনকে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সংবর্ধনা

আপডেট: আগস্ট ২১, ২০১৯

  • Facebook Share
তিন বছর পূর্তিতে ইবি প্রশাসনকে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সংবর্ধনা


ইসলামী বিশ^বিদ্যালয় প্রতিনিধি :ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়ের (ইবি) বর্তমান প্রশাসনের দায়িত্ব গ্রহনের তিন বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রশাসনকে সংবর্ধনা প্রদান করেছে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। বুধবার প্রশাসন ভবনের তৃতীয় তলার সম্মেলন কক্ষে ১২তম উপাচার্য হিসেবে ড. হারুন উর রশিদ আসকারী, উপ-উপচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান ও ট্রেজারার ড. সেলিম তোহাকে এই সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। 
রেজিস্ট্রার (ভারঃ) এস এম আব্দুল লতিফের পরিচালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিবহন প্রশাসক প্রফেসর ড. মোঃ রেজওয়ানুল ইসলাম, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক(ভারঃ) এ কে আজাদ, প্রধান প্রকৌশলী(ভারঃ) আলিমুজ্জামান খান টুটুল, হিসাব পরিচালক(ভারঃ) মোঃ ছিদ্দিক উল্যা, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক (ভারঃ) এ এইচ এম আলী হাসান, প্রধান মেডিক্যাল অফিসার(ভারঃ) ডাঃ এস এম নজরুল ইসলাম, জনসংযোগ অফিসের উপ-পরিচালক মোঃ আতাউল হক, উপ-পরিচালক শাহ আলম কচি, উপ-গ্রন্থাগারিক মোছাঃ শাহনাজ বেগম, উপ-রেজিস্ট্রার রুহুল আমীন বাবু, সহায়ক কর্মচারী সমিতির সভাপতি মোঃ উকিল উদ্দিন এবং সাধারণ কর্মচারী সমিতির সভাপতি মোঃ আতিয়ার রহমান প্রমুখ।
ড. রাশিদ আসকারী তার বক্তব্যে বলেন ‘ দায়িত্ব গ্রহণের পর হতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য আমি দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।’ তিনি বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিকীকরণের পথে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য সকলের সাহায্য-সহযোগিতা কামনা করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে সবধরণের সহযোগীতার জন্য তিনি বর্তমান সরকার, শিক্ষামন্ত্রনালয় এবং ইউজিসির প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।’
উল্লেখ্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৬ সালের ২১ আগস্ট দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকে বর্তমান প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিকীকরণের পথে এগিয়ে নিতে কাজ করে যাচ্ছে। দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছর পর ২০১৮ সালের ৭ জানুয়ারি ৪র্থ সমাবর্তন সফলভাবে আয়োজন করে বর্তমান প্রশাসন। একাডেমিক কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে অতি সম্প্রতি অনুষদের সংখ্যা বৃদ্ধি করে ৫টি থেকে ৮টি করা হয়েছে। ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষে আটটি ও ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে একটিসহ নয়টি যুগোপযোগী বিভাগ খোলা হয়েছে। বর্তমান প্রশাসনের হাত ধরে ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে ৫ শত ৩৭ কোটি ৭ লক্ষ টাকার মেগাপ্রকল্পের কাজ।