২০, আগস্ট, ২০২০, বৃহস্পতিবার | | ১ মুহররম ১৪৪২

পবিপ্রবিতে শিক্ষকদের ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০১৯

  • Facebook Share
পবিপ্রবিতে শিক্ষকদের ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) শিক্ষকদের লাঞ্ছিতকারী ছাত্রকে বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে স্থায়ী বহিষ্কার ও নবীন শিক্ষার্থীদেকে র‌্যাগিংয়ের নামে নির্যাতনের ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সোমবার থেকে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জান করেছেন সাধারণ শিক্ষকরা। এর আগে রবিবার বিকেলে অভিযুক্তদের বিচার না হওয়া পর্যান্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জানের ঘোষণা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রারের কাছে একটি স্মারকলিপি দেয় শিক্ষক সমিতি। কয়েকজন শিক্ষক অভিযোগ করেন, গত শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই বাংলা-০১ আবসিক গণরুমে ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের র‌্যাগিং করা হচ্ছিল।

র‌্যাগিং এর নামে নির্যাতনের ঘটনা দেখে প্রতিবাদ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের পক্ষ নিয়ে পবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোশায়েদুল ইসলাম সাদী ওই হলের সহকারী প্রভোস্ট আব্দুর রহিম ও সুজন কান্তি মালীসহ কয়েকজন শিক্ষকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এ ঘটনায় রবিবার বিকেলে শিক্ষক সমিতির এক জরুরী বৈঠকে অভিযুক্তদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বর্জানের সিদ্ধান্ত হয়। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রারকে অবহিত করে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। এর পর সোমবার সকাল থেকে শিক্ষকরা ক্লাস ও বিভিন্ন অনুষদের পূর্বানির্ধারিত সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা বর্জান শুরু করেন। এ ব্যাপারে পবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোশায়েদুল ইসলাম সাদী বলেন, ওই দিন নবীন শিক্ষার্থীদের সামনে সিনিয়র শিক্ষার্থীদের কান ধরে উঠাবসা করানো হয়। আমি এর প্রবিবাদ রলে হলের একজন সহকারি প্রভোস্ট আমার পরিচয় জানতে চায়। এ সময় তিনি নিজেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের বড় ক্যাডার দাবি করলে আমি তাকে ক্যাডার পরিচয়ে হলে আসতে নিষেধ করি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি সাধারণ সম্পাদক মো. শাহিন হোসেন বলেন, ঘটনার দিন উশৃঙ্খল শিক্ষার্থীদের পক্ষ নিয়ে ছাত্রলীগের ওই নেতা ৭/৮ জন শিক্ষকের সঙ্গে অশোভন আচরন করেছেন।  এক পর্যায়ে তিনি ওই শিক্ষকদের গালাগাল করেন। এ ঘটনার দ্রুত সুষ্ঠ বিচার দাবি করছি। তা না হলে শিক্ষকরা ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জান অব্যাহত রাখতে

পবিপ্রবি রেজিষ্ট্রার প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত বলেন, এ ঘটনায় কৃষি অনুষদের উদ্ভিদ রোগতত্ব বিভাগের শিক্ষ শহিদুল ইসলাকে প্রধান করে ০৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আগামী ৩ কর্মাদিবসের মধ্যে তন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলা হয়েছে।