আপডেট: জানুয়ারি ১৫, ২০১৯

আপডেট:

মো:তৌহিদুর রহমান তাহসিন,নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলা সাহিত্যে মুঘল ঐতিহ্যের কবি কাজী কাদের নেওয়াজের(১৯০৯-১৯৮৩০) ভুমিকা অপরিসীম।বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার সময় প্রথম সভাপতির ভাষন দিয়েছিলেন তিনি।তার সবথেকে বড় সৃষ্টিকর্ম হল শিক্ষাগুরুর মর্যাদা।এছাড়াও তার অন্যতম সৃষ্টিকর্ম হল “নীল কুমুদী”(১৯৬০),”মরাল”(১৩৪১ বাংল),”ওস্তাদের কদর”,”মা”,”প্রায়শ্চাত্ত”,”চাদদিঘী”,”হারানো টুপি”প্রভৃতি তার বিখ্যাত কবিতা।তিনি তার কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ রাষ্ট্রীয় পুরষ্কার “প্রেসিডেন্ট পদক”,”বাংলা একাডেমি” পুরষ্কার পান।
কবির জন্ম মুর্শিদাবাদের তলিবপুরে হলেও দেশ বিভাগের পর তিনি ঢাকা চলে আসেন।এরপর ১৯৬৬ সালে চাকুরি থেকে অবসর গ্রহনের পর আমৃত্যু বসবাস করেছেন মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার মুজাদিয়া গ্রামে।বর্তমানে কাজী কাদের নেওয়াজের সেই প্রাসাদতুল্য বাড়ি পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়,বাড়িটির অবস্থা খুবই জীর্ণশীর্ণ।বাসভবনের পাশে তাদের পারিবারিক কবরসথানও দেখতে পাওয়া যায়,কবরগুলার অবস্থা ভঙগুর, রক্ষাণবেক্ষণ ও সঙস্করণ নেই্। সেখানে গেলে প্রথমেই স্থানীয়দের সাথে কথা হয়।তারা দেশবার্তাকে জানান,কবির বাড়ি কবি কাজী কাদের নেওয়াজ ফা্উন্ডেশন দ্বারা দেখভাল করা হয়।কিছুক্ষন পর দেশবার্তার সাথে কথা বলতে আসেন ফাউন্ডেশনের প্রধান উদ্যোগতা মো: আবদুল্লাহ।তিনি সব দুর্দশাকে সবিস্তরে বর্ননা করেন।তিনি আরো বলেন বাড়িটি গেজেটভুক্ত হবার পরও এখানে কোন উন্নয়ন নেই।আর সরকারের দৃষ্টি নেই বললেই চলে।তবে পর্যটন স্থান হিসেবে মাগুরাতে এর খ্যাতি রয়েছে।এখানে প্রায়ই দুর দুরান্তের মানুষের আনাগোনা দেখা যায়। তবে মজার ব্যপার এই যে ,ভুত এফএমএ এ বাড়ির আশেপাশে রাতে ভুত দেখা গিয়েছিল এমন ঘটনা শোনা গেলে রাতে ওখানে যেতে সবাই ভয় পায়।জনসাধারনের মতে, আমাদের সংস্কৃতির শেষ স্মতি টিকিয়ে রাখতে হলে কবির বাসভূমির মত প্রাচীন ক্ষেত্রগুলো সঠিকভাবে রক্ষাণবেক্ষণ করা জরুরী।