১৯, আগস্ট, ২০২০, বুধবার | | ২৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

বরগুনার জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে যুবলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র হাওলাদার।

আপডেট: অক্টোবর ২৯, ২০১৮

  • Facebook Share
বরগুনার জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে যুবলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র হাওলাদার।

মিরাজ চিশতী,বরগুনা প্রতিনিধি : আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-২  আসনে (বামনা-বেতাগী-পাথরঘাটা) বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক জনাব সুভাষ চন্দ্র হাওলাদারের জন্য ঐক্যবদ্ধ স্থানীয়রা। দল-মত নির্বিশেষে এই আসনে তিনিই সবার পছন্দে, স্থানীয় সূত্রে এমনটাই জানা যায়।

১১০, বরগুনা-২ আসনটি (বামনা-বেতাগী-পাথরঘাটা) তিনটি উপজেলার সমষ্টি হওয়ার কারনে এ আসনটির রাজনৈতিক সমীকরন অন্য এলাকা থেকে বেশ জটিল। একসময় এ আসনটি বিএনপি-জামায়াতের ঘাটি হিসেবে পরিচিত থাকলেও ২০০৮ সালের নির্বাচনে এটি দখলে নেয় আওয়ামী লীগ। তবে এ আসন পুনরায় দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছে বিএনপি। এক্ষেত্রে বিএনপি’র একজন শক্তিশালী নেতা দলটির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাড.খন্দকার মাহবুব হোসেন নেতৃত্বে আসতে মরিয়া।

এদিকে আওয়ামী লীগ সমর্থিত বর্তমান সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমনের উপর আস্থা রাখতে পারছেনা স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারন মানুষ। তারা চায় পরিবর্তন। কারন এমপি রিমনের  বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রয়েছে। নিজ হাতে দলীয় নেতা-কর্মীদের মারধর, অবৈধ সম্পত্তির আত্মসাৎ, হাসপাতালের স্টাফদের মারধরসহ একাধিক অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। তার বিশ্বস্থ কর্মীরা মাদক ব্যাবসার কারনে ধাপে ধাপে আটক হওয়ার ঘটনা ঘটছে।  উপজেলা,পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে নিজ দলের নেতাদের সাথেও তার সু-সম্পর্ক নেই বললেই চলে।

আর এ সুযোগে জনপ্রিয়তা ও মানুষের ভালবাসায় নিজের ও দলের অবস্থান শক্ত করে নিয়েছেন আওয়ামী যুবলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক তরুন নেতা সুভাষ চন্দ্র হাওলাদার। এছাড়াও আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায় থেকে গ্রীন সিগনাল পেয়েছে বলে দলটির একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে।

সুবিধাবঞ্চিত, দরিদ্র, অসহায় জনগোষ্ঠীর মাঝে ভালবাসা ও সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে আওয়ামী লীগের মনোনয়নের তালিকায় নাম উঠে এসেছে সুভাষ হাওলাদারের। এলাকায় দুস্থ-দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা বৃত্তি, শিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্ম সংস্থান, রিক্সাচালক, জেলে পরিবার ও খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে অনুদান প্রদান এবং মসজিদ, মন্দির, বিদ্যালয় ও সামাজিক সেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানে মান-উন্নয়নে তার অগ্রনী ভূমিকা রয়েছে বলে জানা যায়।

এছাড়া সুভাষ চন্দ্র হাওলাদার নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক হারে গণসংযোগ চালান। তিনি ব্যক্তিগত কাজের ফাকে একটু সময় পেলেই ধাপে ধাপে ঢাকা থেকে এলাকায় গিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মকান্ড জনসাধারনের মাঝে তুলে ধরেন এবং নৌকা মার্কার ব্যাপক প্রচারনা চালান।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বরগুনার জনসভা সফল করতে সুভাষ চন্দ্রের অবদান চেখে পরার মত। যেখানে বর্তমান সাংসদ রিমনের নিষ্ক্রিয়তাও সকলের চোখে ধরিয়ে দেয়। ‘সুভাষ চন্দ্রকে এমপি হিসেবে পাশে পেতে চায়’ এই দাবিতে দল-মত নির্বিশেষে স্থানীয় সকলে ঐক্যবদ্ধ