আপডেট: মার্চ ১২, ২০১৯

আপডেট:

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলায় উত্তর কালাপানিয়া দ্বীপ বন্ধু মোস্তাফিজুর রহমান সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হিসাবে মোসাঃ জান্নাতুর নুর গত ১৬/০২/২০১৭ইং তারিখে যোগদান করেন। সন্দ্বীপ উপজেলায় কোটায় চাকুরীতে নিয়োগ পান। যেহেতু রেজিস্টার্ড নং ডি এ-১ বাংলাদেশ গেজেট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রাণালয় বিদ্যালয়-২ শাখা প্রঞ্গাপন তারিখ মঙ্গলবার ,সেপ্টম্বর ৩ ,২০১৩ অনুযায়ী ৩নং নিয়োগ পদ্ধতিঃ অনুচ্ছেদ এর (৩) এই বিধিমালার অধীন নিয়োগ কার্যক্রম উপজেলা বা, ক্ষেত্রমত থানা ভিত্তিক হইবে। ৭নং কোটা বিভাজন ঃ অনুচ্ছেদ এর (খ) উপজেলা / থানা ভিত্তিক শূন্যপদ অনুযায়ী কোন কোটায় উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া না গেলে মেধাক্রম অনুযায়ী একই উপজেলা বা ক্ষেত্রমত থানায় উত্তীর্ণ সাধারণ প্রার্থীদের দ¦ারা তাহা পূরণ করা হইবে। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ উপজেলা কৌটা ভিত্তিক। তাই তার নিয়োগ হয়েছে সন্দ্বীপ উপজেলায় কোটায় । তিনি অত্যান্ত সুচতুর পৈত্রিক বাডী চাঁদপুরের স্থায়ী বাসিন্দা। চাকুরীতে যোগদানের আগ পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগর হালিশহর বিহারি কবরস্থানের কাছে খাল পাড়ে আয়েশা ভবনে ভাড়া থাকতেন।অত্যান্ত সুপরিকল্পিত ভাবে সন্দ্বীপ উপজেলায় মিথ্যা তথ্য দিয়ে স্থায়ী ঠিকানা জালিয়তি করে সন্দ্বীপে তার আত্মীয়ের ঠিকানায় জাতীয় পরিচয় পত্র করেছেন। সেই সুযোগে মিথ্যা তথ্য দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্রের ঠিকানায় আবেদন চাকুরী পেয়ে যান। সুচতুর চাকুরী প্রত্যাসী বুঝে নিয়েছিলেন যে,মহানগর ও নিজের স্থায়ী ঠিকানায় আবেদন করলে প্রতিযোগিতা বেশী হবে চাকুরী না পাওয়ার সম্ভাবনা কম তাই অভিনব কায়দা অবলম্বন করে সন্দ্বীপ উপজেলাকে বেচে নিয়ে সফলতা পেয়ে যান। বিধিবাম এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। ২০০৮ সালে প্রথম প্রকল্পে বাংলাদেশের নাগরিক যে যেখানে ছিল সেখানে ভোটার বা এনআইডির জন্য নিবন্ধিত হয়েছেন, যাহা কখন ও একজন নাগরিকের স্থায়ী ঠিকানা নির্ধারন করে না। সন্দ্বীপে তারা কোন দিন স্থায়ীভাবে বসবাস করেননি। পুর্বপুরুষ বা পৈত্রিক বাড়ী ও স্থাবর অস্থাবর কোন প্রকার স্থায়ী সম্পত্তি নাই । তাহলে এখন দেখার বিষয় সরকারী চাকুরীর মত রাজস্ব খাতে ভুঁয়া ঠিকানা ব্যবহার করে এনআইডির মত দুর্বল উপাদান দিয়ে কাদের সহযোগিতায় সরকারী চাকুরী নিলেন ? তার নিয়োগ পত্রের স্মারক নং জেপ্রাশিঅ /চট্ট/ ২য় পর্যায়/২৮১/১৪০ তারিখ ঃ ৩০/০১/২০১৭ খ্রিঃ শর্তাবলীর ২নং অনুচ্ছেদ এর ”ঙ” উপ-অনুচ্ছেদ নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক/শিক্ষিকা কর্তৃক যে কোন সময়ে যে কোন তথ্য ও সনদপত্র মিথ্যা/ভ’য়া/ক্রুটিপুর্ণ প্রমানিত হলে নিয়োগ আদেশ বাতিল করা যাবে এবং প্রচলিত আইনের বিধান অনুযায়ী তাঁর /তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কথা বলে জানা যায় স্থায়ী ঠিকানা প্রমানের জন্য অভিযুক্ত শিক্ষিকার কাছে চাকুরীতে যোগদানের আগে তাঁর পুর্ব পুরুষের বা পৈত্রিক অথবা নিজ নামে সন্দ্বীপের বসত ঘরের বা স্থায়ী সম্পত্তির দলিল/খতিয়ান, পিতার স্থায়ী ঠিকানা নিরুপনের জন্য মা-বাবার বিবাহের নিকাহ নামা চাওয়া হলে ও অভিযুক্ত শিক্ষিকা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন। তথাপি ও শিক্ষিকার বিরুদ্ধে কোন প্রকার ব্যবস্থা না নিয়ে বরং সরকারের ব্যয়খাত খ্যাত ডিপিএড ট্রেনিংয়ের জন্য চট্টগ্রাম পিটিআইতে প্রেরণ করেছেন । ঠিকানা জালিয়তির মাধ্যমে সরকারী চাকুরীতে বহাল তবিয়তে থাকায় সচেতন মহলে কতৃর্পক্ষের ভূমিকা নিয়ে নানান প্রশ্ন ও সংসয় দেখা দিয়েছে। অভিযুক্ত জান্নাতুর নুরে সাথে বার বার চেষ্টা করে মোবাইল বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা যায়নি। ।অভিযোগের বিষয়ে চট্রগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুলতানা নাসরীন এর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি জানান, বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছি। এ বিষয়ে সন্দ্বীপ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জনাব মাইন উদ্দীন এর বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি জানান – এ বিষয়ে আমাদের কাছে ও অভিযোগ রয়েছে। আমরা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলেছি। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করছি। স্থানীয় কালাপানিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলীমুর রাজী টিটুর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, জান্নাতুর নুর এর নানার বাড়ী সন্দ্বীপে তার পড়া লেখা ও সন্দ্বীপে।উল্লেখ্য, কালাপানিয়া নিবাসী জনৈক শামিম ও রুবেল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে এই বিষয়ে অভিযোগ জানান