আপডেট: এপ্রিল ১, ২০১৯

আপডেট:

এ,জে সুজন : উৎসব মুখর পরিবেশে শোভাযাত্রা,বেলুন উড়িয়ে এবং কেক কেটে কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী পৌরসভার দেড়শ বছরপূর্তি অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয়।এ উপলক্ষে দুই সপ্তাহব্যাপী নানান কর্মসুচী হাতে নিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। সোমবার (১ এপ্রিল) থেকে ১৩ দিনব্যাপী এ কর্মসুচী পালন করবে। এর আগে পৌরসভার দেড়শ’ বছর পূর্তিতে শহরে একটি আনন্দ র্যালী বের হয়।আবহমান বাংলার গ্রামীন নানা চিত্রে সজ্জিত র্যালীটি পৌরসভার বিজয় উল্লাস থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে।শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় পৌরসভায় ফিরে আসে। সোমবার (১ এপ্রিল) দুপুর ২টার সময় কুষ্টিয়া পৌরসভা চত্বরে আলোচনা সভায় কুষ্টিয়া পৌরসভার মেয়র আনোয়ার আলীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া সদর এমপি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জনাব মাহবুব উল আলম হানিফ।অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক জনাব আসলাম হোসেন, কুষ্টিয়া পুলিশ সুপার জনাব এস,এম, তানভির আরাফাত, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব সদর উদ্দিন,কুষ্টিয়া জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রবিউল ইসলাম,কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আজগর আলী, শহর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। অতিথিবৃন্দ শুভেচ্ছা বক্তব্য শেষে জনাব মাহবুব উল আলম হানিফ কেক কেটে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন। ১৩ দিনব্যাপী এ আয়োজনের মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পুতুল নাচ, পালাগান, যাত্রা, নাটক, নসিমন ও গম্ভীরা ইত্যাদি। সকলের জন্য উন্মুক্ত মেলা প্রতিদিন বিকাল ৩টা হতে রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে। উল্লেখ্য ১৮৫৬ সাল পর্যন্ত কুষ্টিয়া থানা রাজশাহী বিভাগের পাবনা জেলাধীন, ১৮৬১ সালে কুষ্টিয়া মহকুমা এবং ১৮৬৩ সালে নদীয়া বিভাগের নদীয়া জেলার শামিল হয়। পরবর্তীতে অবিভক্ত বাংলার আধা শহর ও আর্থিক ক্ষেত্রে পশ্চাৎপদ অঞ্চলগুলোর সংরক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য ১৮৬৮ সালে একটি পৌর আইন গৃহীত হয়। উক্ত আইনের আওতায় ১৮৬৯ সালের ১ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয় কুষ্টিয়া পৌরসভা। কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে গ্রামীন মেলাসহ ১৩ দিন ব্যাপী নানা অনুষ্ঠান মালার জন্য পৌরসভাকে নান্দনিক সাজে সাজানো হয়েছে।