৪, আগস্ট, ২০২১, বুধবার | | ২৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর চিকিৎসা সেবার অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

আপডেট: মে ২, ২০১৯

রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর চিকিৎসা সেবার অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

নাজমুল হোসেন রানীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও এর রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা সেবার অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে ইউএনও বরাবর সচেতন রাণীশংকৈল বাসী। আজ ২ মে সকাল ১১টায় রাণীশংকৈল উপজেলার  বটতলায় পৌর মার্কেট এর সামনে এক মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদানের আয়োজন করে  সচেতন রানীশংকৈলবাসী। এ সময় উক্ত মানববন্ধনের আহ্বায়ক উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক তারেক আজিজের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সাবেক ছাত্রনেতা মানিক আলী,উপজেলা তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরইসলাম কিনু,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকারিয়া ডন,আসক সভাপতি বকুল মজুমদার, বন্ধুত্বের হাতছানি ব্লাড ব্যাংক এন্ড দারিদ্র ফান্ড এর সভাপতি হারুনুর রশিদ,আরো উপস্তিত ছিলেন বন্ধতের হাতছানি সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান রোকন, উপজেলা নির্মাণ শ্রমিকের সভাপতি আল আমিন ও সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি সহ রানিশংকেল এর সচেতন নাগরিকবৃন্দ ।রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা সেবার মান নিয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই তারা। এ সময় বক্তারা বলেন রাণীশংকৈল উপজেলায় মাত্র ২ জন ডাক্তার দিয়ে চলে এই হাসপাতালটি এটি একটি রাণীশংকৈল উপজেলার সদর হাসপাতাল এখানকার চিকিৎসার মান এত নগণ্য হয়েছে যা সাধারণ মানুষকে অনেক হয়রানি হতে হচ্ছে এমনকি হাসপাতালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় যা ওষুধপত্র ইনজেকশন আসে তাও পায় না সাধারণ অসহায় রোগীরা দৌড়াতে হয় পার্শ্ববর্তী মেডিসিনের দোকানে। বক্তাদের দাবি এই ওষুধ বা ইনজেকশন যাই কোথায় এর একটি বিহিত করতে হবে এ সময় এ সময় ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি হারুনুর রশীদ বলেন আমি গত দুদিন আগে হাসপাতালে গিয়েছি একজনকে রক্ত দিতে গিয়ে দেখি রক্ত নেওয়ার মতো কোনো পরিবেশ নেই ,নেই সেখানে একটি বিছানা  আছে শুধু কাঠের একটি  বাক্স আর এর উপরে একজনকে সুস্ত মানুষ কে সুয়ে দিয়ে তার রত্ত নেওয়া হয় তাহলে রাণীশংকৈল উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর মান কি এত নিচে নেমে গেছে। অভিযোগ করে বলেন বর্তমান কর্তব্যরত ডাক্তার ফিরোজ আলম কে সব সময় হাসপাতলে পাওয়া যায় না তিনি পার্সোনাল রুগী দেখতে ব্যস্ত থাকেন এবং সে নিয়মিত হাসপাতালে থাকে না , আরো বলেন এখানকার ডাক্তাররা ওষুধ কোম্পানির রিপ্রেজেন্টেটিভ এর কাছে বিক্রি হয়ে যায় কিছু মুনাফা লাভের আশায়। অভিযোগে বলা হয় এখানে ইমারজেন্সিতে যেই উপ সহকারী মেডিকেল অফিসার গুলো চিকিৎসা দেওয়ার কথা তাও দেওয়া হয় না ।  এখানে একজন মাথা ফাটা রোগী আসলে  মাথা সেলাই করে হাসপাতালে কর্তব্যরত পরিচ্ছন্নতাকর্মী (সুইপার)এ সময় অনেকে দাবি করেন আমরা এখানে নতুন ডাক্তারের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানাচ্ছি তিনি যেন এই রানিশংকৈল হাসপাতালে ডাক্তার নিয়োগ করেন। মানববন্ধন শেষে রানিশংকৈলের  নির্বাহী অফিসার মৌসুমী আফরিদার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে সচেতন রাণীশংকৈলবাসী।